১২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

টেকনাফ থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফনদীর জইল্যার দ্বীপের উত্তর-পূর্ব দিকের বড়ভাঙ্গা নামক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ ইয়াবা পিস উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোঃ ফয়সল হাসান খান (বিজিবিএম, পিএসসি) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ দমদমিয়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ জইল্যার দ্বীপ এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে দমদমিয়া বিওপির একটি বিশেষ টহলদল বর্ণিত এলাকায় আগে থেকে কয়েকটি উপদলে বিভক্ত হয়ে জইল্যার দ্বীপের উত্তর-পূর্ব দিকের বড়ভাঙ্গা নামক স্থানে নাফ নদীর কিনারায় কেওড়া বাগানের আঁড় নিয়ে গোপনে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পরে বিশেষ টহলদল নাইট ভিশন ডিভাইস দ্বারা বিআরএম-৮ হতে ৮০০ গজ উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে ২/৩ জন দুষ্কৃতকারী ব্যক্তি সাঁতরিয়ে মিয়ানমার হতে নাফ নদীর পার হয়ে জইল্যার দ্বীপের উত্তর-পূর্ব দিকে ১টি প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে আসতে দেখে। তাদের দেখা মাত্রই টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করে খুব দ্রুত অগ্রসর হয়। এসময় দুষ্কৃতকারীরা দূর থেকে বিজিবির টহলদলের উপস্থিতি অনুধাবন করা মাত্রই বহনকৃত বস্তাটি ফেলে দিয়ে রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে নাফ নদীতে সাতাঁর কেটে মিয়ানমার সীমান্তে চলে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে বস্তাটি উদ্ধার করে ব্যাটালিয়ন সদরে নিয়ে গণনা করে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট নিয়ে নতুন শর্ত, না মানলে কঠোর ব্যবস্থা

টেকনাফ থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

প্রকাশিত : ১২:৩৫:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুন ২০২১

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফনদীর জইল্যার দ্বীপের উত্তর-পূর্ব দিকের বড়ভাঙ্গা নামক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ ইয়াবা পিস উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোঃ ফয়সল হাসান খান (বিজিবিএম, পিএসসি) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ দমদমিয়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ জইল্যার দ্বীপ এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে দমদমিয়া বিওপির একটি বিশেষ টহলদল বর্ণিত এলাকায় আগে থেকে কয়েকটি উপদলে বিভক্ত হয়ে জইল্যার দ্বীপের উত্তর-পূর্ব দিকের বড়ভাঙ্গা নামক স্থানে নাফ নদীর কিনারায় কেওড়া বাগানের আঁড় নিয়ে গোপনে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পরে বিশেষ টহলদল নাইট ভিশন ডিভাইস দ্বারা বিআরএম-৮ হতে ৮০০ গজ উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে ২/৩ জন দুষ্কৃতকারী ব্যক্তি সাঁতরিয়ে মিয়ানমার হতে নাফ নদীর পার হয়ে জইল্যার দ্বীপের উত্তর-পূর্ব দিকে ১টি প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে আসতে দেখে। তাদের দেখা মাত্রই টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করে খুব দ্রুত অগ্রসর হয়। এসময় দুষ্কৃতকারীরা দূর থেকে বিজিবির টহলদলের উপস্থিতি অনুধাবন করা মাত্রই বহনকৃত বস্তাটি ফেলে দিয়ে রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে নাফ নদীতে সাতাঁর কেটে মিয়ানমার সীমান্তে চলে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে বস্তাটি উদ্ধার করে ব্যাটালিয়ন সদরে নিয়ে গণনা করে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।