০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

এসডিজি অর্জনে শীর্ষে বাংলাদেশ

 

নসরকারের বিভিন্ন কাজের ফলে আজ বাংলাদেশ এসডিজি বাস্তবায়নে বিশ্বের তিনটি দেশের মধ্যে অন্যতম অবস্থানে আছে। এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। ভাইরাসে যখন সারাবিশ্বের অর্থনীতি স্থবির সেই সময় বাংলাদেশ কিন্তু করোনাভাইরাস মোকাবিলা করে মানুষকে সুরক্ষিত করে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে গতিশীল রাখার কাজ করছে।

মঙ্গলবার (২২ জুন) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভার আগে একটি স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনের সময় একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। মুজিববর্ষ উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে বঙ্গবন্ধু’র মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এমডিজি (মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল) বাস্তবায়নেও কিন্তু বাংলাদেশ অনেক অগ্রগামী ছিল। এমডিজি অর্জনে আমরা যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় এসডিজির ক্ষেত্রেও আমরা সেই পথে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সুষ্ঠু পরিকল্পনা, সুনির্দিষ্ট দিকদর্শন আছে ও আমরা সেভাবে এগোচ্ছি বলে সেরা তিনে জায়গাটি অর্জন সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যা কিছু অর্জন করেছে তা সম্মিলিতভাবে কাজ করার কারণেই অর্জিত হয়েছে। সবচেয়ে ভালো লাগে সরকার যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, আর সেটা বাস্তবায়নে সামরিক-অসামরিক কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশের জনগণ তা গ্রহণ করে ও বাস্তবায়নে এগিয়ে আসে।’

পরিকল্পনামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে বলেন, অনেক সমস্যা মোকাবিলা করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগও মোকাবিলা করতে হয়েছে। সবাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন বলে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে সামনে আমাদের আরো অনেক দূর যেতে হবে। ঝড়-ঝাপটা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড় যতই আসুক না কেন বাংলাদেশের জনগণ তা মোকাবিলা করতে পারে। আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের এটা শিখিয়ে দিয়ে গেছেন।

এদিকে একনেকের সভায় ৪ হাজার ১৬৬ কোটি টাকার ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার দেবে ৪ হাজার ১২৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৪০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ১০০০তম বোর্ড সভা

এসডিজি অর্জনে শীর্ষে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ১২:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১

 

নসরকারের বিভিন্ন কাজের ফলে আজ বাংলাদেশ এসডিজি বাস্তবায়নে বিশ্বের তিনটি দেশের মধ্যে অন্যতম অবস্থানে আছে। এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। ভাইরাসে যখন সারাবিশ্বের অর্থনীতি স্থবির সেই সময় বাংলাদেশ কিন্তু করোনাভাইরাস মোকাবিলা করে মানুষকে সুরক্ষিত করে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে গতিশীল রাখার কাজ করছে।

মঙ্গলবার (২২ জুন) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভার আগে একটি স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনের সময় একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। মুজিববর্ষ উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে বঙ্গবন্ধু’র মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এমডিজি (মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল) বাস্তবায়নেও কিন্তু বাংলাদেশ অনেক অগ্রগামী ছিল। এমডিজি অর্জনে আমরা যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় এসডিজির ক্ষেত্রেও আমরা সেই পথে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সুষ্ঠু পরিকল্পনা, সুনির্দিষ্ট দিকদর্শন আছে ও আমরা সেভাবে এগোচ্ছি বলে সেরা তিনে জায়গাটি অর্জন সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যা কিছু অর্জন করেছে তা সম্মিলিতভাবে কাজ করার কারণেই অর্জিত হয়েছে। সবচেয়ে ভালো লাগে সরকার যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, আর সেটা বাস্তবায়নে সামরিক-অসামরিক কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশের জনগণ তা গ্রহণ করে ও বাস্তবায়নে এগিয়ে আসে।’

পরিকল্পনামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে বলেন, অনেক সমস্যা মোকাবিলা করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগও মোকাবিলা করতে হয়েছে। সবাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন বলে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে সামনে আমাদের আরো অনেক দূর যেতে হবে। ঝড়-ঝাপটা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড় যতই আসুক না কেন বাংলাদেশের জনগণ তা মোকাবিলা করতে পারে। আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের এটা শিখিয়ে দিয়ে গেছেন।

এদিকে একনেকের সভায় ৪ হাজার ১৬৬ কোটি টাকার ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার দেবে ৪ হাজার ১২৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৪০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।