০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ অনুকরণীয়

বিশ্বের যেকোনো দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জন্য বাংলাদেশ অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবনে মঙ্গলবার সকালে মুজিববর্ষ উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্মারকগ্রন্থ ‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে বঙ্গবন্ধু’র মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। দুর্যোগ মোকাবিলায় বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ‘স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কীভাবে ঘূর্ণিঝড়ে মানুষের জানমালের ক্ষতি কমানো যায়, কীভাবে মানুষকে বাঁচানো যায়, শুধু মানুষ না, তাদের গৃহপালিত পশুপাখি বা সাধারণ পশুপাখি তারাও কীভাবে বাঁচতে পারে, সে চিন্তাভাবনা থেকে তিনি অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, যা আমাদের জন্য একটা মাইলফলক। ‘জাতির পিতার সেই পদাঙ্ক অনুসরণ করেই আমরা কিন্তু এ দেশের মানুষকে বাঁচাতে সক্ষম হয়েছি। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করবার মতো আত্মবিশ্বাস আমরা পেয়েছি এবং পরিকল্পনা করার যে উদ্যোগ, সেটাও আমরা করতে পেরেছি। এটা আমাদের জন্য শুধু না, বিশ্বের যেকোনো দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জন্য অনুকরণীয়।’ সুনির্দিষ্ট দিকদর্শন থাকার কারণেই টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট তথা সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ কিন্তু এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবে। সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল বাস্তবায়নে আমরা যে সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিয়েছি এবং এসডিজি বাস্তবায়নে তিনটি অন্যতম দেশের মধ্যে বাংলাদেশ আছে। ‘আমাদের সুষ্ঠু পরিকল্পনা, সুনির্দিষ্ট দিকদর্শন আছে। আমরা পরিকল্পিতভাবে এগোচ্ছি বলেই এটা অর্জন সম্ভব হয়েছে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ১০০০তম বোর্ড সভা

দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ অনুকরণীয়

প্রকাশিত : ১২:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১

বিশ্বের যেকোনো দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জন্য বাংলাদেশ অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবনে মঙ্গলবার সকালে মুজিববর্ষ উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্মারকগ্রন্থ ‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে বঙ্গবন্ধু’র মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। দুর্যোগ মোকাবিলায় বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ‘স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কীভাবে ঘূর্ণিঝড়ে মানুষের জানমালের ক্ষতি কমানো যায়, কীভাবে মানুষকে বাঁচানো যায়, শুধু মানুষ না, তাদের গৃহপালিত পশুপাখি বা সাধারণ পশুপাখি তারাও কীভাবে বাঁচতে পারে, সে চিন্তাভাবনা থেকে তিনি অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, যা আমাদের জন্য একটা মাইলফলক। ‘জাতির পিতার সেই পদাঙ্ক অনুসরণ করেই আমরা কিন্তু এ দেশের মানুষকে বাঁচাতে সক্ষম হয়েছি। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করবার মতো আত্মবিশ্বাস আমরা পেয়েছি এবং পরিকল্পনা করার যে উদ্যোগ, সেটাও আমরা করতে পেরেছি। এটা আমাদের জন্য শুধু না, বিশ্বের যেকোনো দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জন্য অনুকরণীয়।’ সুনির্দিষ্ট দিকদর্শন থাকার কারণেই টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট তথা সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ কিন্তু এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবে। সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল বাস্তবায়নে আমরা যে সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিয়েছি এবং এসডিজি বাস্তবায়নে তিনটি অন্যতম দেশের মধ্যে বাংলাদেশ আছে। ‘আমাদের সুষ্ঠু পরিকল্পনা, সুনির্দিষ্ট দিকদর্শন আছে। আমরা পরিকল্পিতভাবে এগোচ্ছি বলেই এটা অর্জন সম্ভব হয়েছে।’