০৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

সীতাকুণ্ডে পাহাড়ধসে নির্মাণাধীন ঘর ক্ষতিগ্রস্ত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে পাহাড়ঘেঁষা নির্মাণাধীন ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের সমদ্দরপাড়া (৮ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে পাহাড়ধসের খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যায় কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। এরপর সেখানে যান সীতাকুণ্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হোসেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহাদাত হোসেন বলেন, পাহাড়ের ধার ঘেঁষে নির্মিতব্য ঘরটি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরের চাল না থাকায় একটি কক্ষে পাহাড়ের ধসে পড়া মাটি ঢুকেছে। অভিযোগ রয়েছে, চট্টগ্রাম নগর ‍পুলিশের এক সদস্য সম্প্রতি পাহাড় কেটে প্লট বানাচ্ছিলেন। আজ সেই অংশটি ধসে পড়েছে। তবে ওই পুলিশ সদস্যদের নাম কেউ জানাতে চাননি। কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ফিরোজ মিয়া বলেন, পাহাড়টির মাটি ছিল বেলে। যার কারণে অল্প বৃষ্টিতে ধসে পড়েছে। ইউএনও শাহাদাত হোসেন বলেন, পাহাড়ধসের ঘটনায় ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন। নির্মাণাধীন ঘরের কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। এক পুলিশ সদস্য পাহাড় কেটে পজিশন তৈরি করছেন বলে অভিযোগ পেয়েছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্যকে ওই পুলিশ সদস্যের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসককে জানাবেন।

ট্যাগ :

বাসের ভেতরেই হেলপারের মৃত্যু, ময়নাতদন্তে কারণ জানার অপেক্ষা

সীতাকুণ্ডে পাহাড়ধসে নির্মাণাধীন ঘর ক্ষতিগ্রস্ত

প্রকাশিত : ১২:৫০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে পাহাড়ঘেঁষা নির্মাণাধীন ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের সমদ্দরপাড়া (৮ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে পাহাড়ধসের খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যায় কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। এরপর সেখানে যান সীতাকুণ্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হোসেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহাদাত হোসেন বলেন, পাহাড়ের ধার ঘেঁষে নির্মিতব্য ঘরটি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরের চাল না থাকায় একটি কক্ষে পাহাড়ের ধসে পড়া মাটি ঢুকেছে। অভিযোগ রয়েছে, চট্টগ্রাম নগর ‍পুলিশের এক সদস্য সম্প্রতি পাহাড় কেটে প্লট বানাচ্ছিলেন। আজ সেই অংশটি ধসে পড়েছে। তবে ওই পুলিশ সদস্যদের নাম কেউ জানাতে চাননি। কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ফিরোজ মিয়া বলেন, পাহাড়টির মাটি ছিল বেলে। যার কারণে অল্প বৃষ্টিতে ধসে পড়েছে। ইউএনও শাহাদাত হোসেন বলেন, পাহাড়ধসের ঘটনায় ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন। নির্মাণাধীন ঘরের কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। এক পুলিশ সদস্য পাহাড় কেটে পজিশন তৈরি করছেন বলে অভিযোগ পেয়েছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্যকে ওই পুলিশ সদস্যের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসককে জানাবেন।