০৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ধোবাউড়ায় ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার দক্ষিন মাইজ পাড়া ইউনিয়নের উত্তর রানীপুর গ্রামের আব্দুল মোতালেবের কন্যা হালিমা খাতুনের এক কন্যা সন্তান রেখে দশমাস পুর্বে ২য় বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের খাগগড়া গ্রামের পাচঁ সন্তানের জনক হুমায়ুন কবির আকন্দের সাথে । বিয়ের পর থেকেই রহিমা খাতুনের সাথে যৌতুকের টাকা নিয়ে পারিবারিক কলহ চলছিল স্বামীর। গত ১৫ মার্চ দুপুরে হালিমা ও তার স্বামী বসত ঘরে শুয়ে ছিল। বিকেলে ঘরে দড়জা বন্ধ দেখে হুমায়ুন কবির আকন্দের বড় ভাইয়ের স্ত্রী দড়জায় ধাক্কা দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশকে খবর দিলে ঘরের ধর্নার সাথে হালিমার ঝুলন্ত লাশ পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। মৃত্যুর ঘটনাটি সন্দেহ হলে পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। গত ৩ জুলাই ময়না তদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে হালিমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

হালিমার ভাই মোঃ হাফিজ উদ্দিন জানতে পেরে ৪ জুলাই ধোবাউড়া থানা হত্যা মামলা করেন তিনি। রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হালিমার স্বামী হুমায়ুন কবির আকন্দকে আটক করে ৫ জুলাই ময়মনসিংহ আদালতে প্রেরন করেছেন বলে জানান ওসি মোঃ আবুল কালাম আজাদ। এ বিষয়ে হালিমার ভাই জানান, যৌতুকের বলি হয়েছেন তার ৪ মাসের অন্তঃসত্বা বোন হালিমা। তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে স্বামী হুমায়ুন কবির আকন্দ ও তার পরিবারের লোকজন। তার বোন হালিমাকে যে ভাবে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছে ঠিক একই ভাবে আইনের মাধ্যমে তার বোনের হত্যাকারীদের ফাসিঁ দাবী করেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

ধোবাউড়ায় ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

প্রকাশিত : ০৪:৩৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার দক্ষিন মাইজ পাড়া ইউনিয়নের উত্তর রানীপুর গ্রামের আব্দুল মোতালেবের কন্যা হালিমা খাতুনের এক কন্যা সন্তান রেখে দশমাস পুর্বে ২য় বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের খাগগড়া গ্রামের পাচঁ সন্তানের জনক হুমায়ুন কবির আকন্দের সাথে । বিয়ের পর থেকেই রহিমা খাতুনের সাথে যৌতুকের টাকা নিয়ে পারিবারিক কলহ চলছিল স্বামীর। গত ১৫ মার্চ দুপুরে হালিমা ও তার স্বামী বসত ঘরে শুয়ে ছিল। বিকেলে ঘরে দড়জা বন্ধ দেখে হুমায়ুন কবির আকন্দের বড় ভাইয়ের স্ত্রী দড়জায় ধাক্কা দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশকে খবর দিলে ঘরের ধর্নার সাথে হালিমার ঝুলন্ত লাশ পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। মৃত্যুর ঘটনাটি সন্দেহ হলে পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। গত ৩ জুলাই ময়না তদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে হালিমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

হালিমার ভাই মোঃ হাফিজ উদ্দিন জানতে পেরে ৪ জুলাই ধোবাউড়া থানা হত্যা মামলা করেন তিনি। রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হালিমার স্বামী হুমায়ুন কবির আকন্দকে আটক করে ৫ জুলাই ময়মনসিংহ আদালতে প্রেরন করেছেন বলে জানান ওসি মোঃ আবুল কালাম আজাদ। এ বিষয়ে হালিমার ভাই জানান, যৌতুকের বলি হয়েছেন তার ৪ মাসের অন্তঃসত্বা বোন হালিমা। তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে স্বামী হুমায়ুন কবির আকন্দ ও তার পরিবারের লোকজন। তার বোন হালিমাকে যে ভাবে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছে ঠিক একই ভাবে আইনের মাধ্যমে তার বোনের হত্যাকারীদের ফাসিঁ দাবী করেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ