১২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর উপহারে সাতক্ষীরার গাভারচর আলোকিত

সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় মুজিবর্ষে ৪০০ শত ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবার কে গৃহ নির্মাণ করে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা প্রশাসন। সারাদেশ যখন এ গৃহনির্মাণ নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিক সেই মূহুর্তে এ গৃহহীন মানুষগুলো মাথাগোঁজার ঠাঁয় পেয়ে যেন আনন্দে আত্নহারা। সরেজমিন ১৩ জুলায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউপির গাভারচরে গিয়ে গৃহহীন পরিবার যখন পাঁকা ঘরে এক সাথে ১৩০ টি পরিবার বসবাস করছে। এ দৃশ্যপট চোঁখে না দেখলে অনুভব করা সম্ভাব নয় যে,তাঁদের আনন্দের যেন সীমা নেই।কথা হয় বর্তমানে নতুন ঠিকানায় বসবাস কারা সাদ্দাম হোসেন দম্পতিরর সাথে।

অনেকেই অনেক কথা এ প্রতিবেদকের নিকট বলতে চাইলেও তাঁদের কথাগুলো ছিল যেন ভিন্নতা। কেননা তাঁরা নবদম্পতি। আগে ঘর ছিল না,জমি ছিল না,রাস্তার ধাঁরে ঘুপড়ী ঘরে বসবাস করতো।রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারতো না।কখন বুঝি তাঁদের পলিথিন এর বেঁড়ায় কেই টোকা দেয় এ ভয়ে।এখন গাভার চরে ১৩০ টি পরিবারের মধ্যে তাঁরাও একটি পরিবার। তাঁদের চারপাশে সকলেই যেন প্রতিবেশি। ডাঁকলেই সকলকে বিপদে কাঁছে পাওয়া যায়।

গাভারচর যেন প্রধানমন্ত্রী দেওয়া নতুন গ্রাম।যাঁর আলোয় ঝিকমিক করছে আষাড়ের রৌদ্রছায়ার খেলা।কথা হয় আরও অনেক উপকারভোগীর সাথে,যাঁদের মধ্যে বয়োবৃদ্ধা ছবিরন বেগম,মাহাতাব উদ্দীন (৫০)সহ অনেকই আগে ছিন্নমূল এর মত বসবাস করতো।এখন নতুন ঘরে বসবাস করছে।এ ঘরে থাকতে কোন সমস্যা বা অনিয়ম হয়েছে কি না তা জানতে চাইলে বলেন,আমাদের এখানে ঘর গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। অনিয়ম কি বুঝিনা!! তবে বসবাস করতে সমস্যা নেই।কাজ শেষে ঘরে ফিরে, পাঁকা ঘরের সাথে পাঁকা বাথরুম। এ যেন স্বপ্ন!!এমন করে মনের অজান্তে আনন্দের কথাগুলো বলেই চলেছিলেন সুবিধাভোগীরা। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন,এ উপজেলায় ৪০০ শত ঘরের বরাদ্ধ হয়েছে।

যাঁরমধ্যে ৩৩০টি ঘর উপকারভোগীদের কাছে চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে।বাকি ৭০ টির কাজ চলমান রয়েছে।এ ছাঁড়া সকল ঘরগুলো সব সময় নির্মাণ কমিটি তদারকি করে সমস্যা থাকলে সমাধানের জন্য কাজ করেই চলেছে।সাথে তিনি বলেন,গৃহহীন ও ভুমিহীনদের জন্য প্রস্তুত করা প্রত্যেকটি ঘর মমতার সাথে নির্মাণ করে তা হস্তান্তরে সার্বিক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।এ বিষয়ে সাতক্ষীরা নবাগত জেলা প্রশাসক হুমায়ন কবীর জানিয়েছেন,যোগদান করেই এ প্রকল্প সরেজমিন গিয়ে দেখেছি,এখনোও পর্যন্ত সদরে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।তবে কোন অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ

 

 

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শাহজাদপুর ১ লাখ ৩৫ হাজার পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত

প্রধানমন্ত্রীর উপহারে সাতক্ষীরার গাভারচর আলোকিত

প্রকাশিত : ০৪:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১

সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় মুজিবর্ষে ৪০০ শত ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবার কে গৃহ নির্মাণ করে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা প্রশাসন। সারাদেশ যখন এ গৃহনির্মাণ নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিক সেই মূহুর্তে এ গৃহহীন মানুষগুলো মাথাগোঁজার ঠাঁয় পেয়ে যেন আনন্দে আত্নহারা। সরেজমিন ১৩ জুলায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউপির গাভারচরে গিয়ে গৃহহীন পরিবার যখন পাঁকা ঘরে এক সাথে ১৩০ টি পরিবার বসবাস করছে। এ দৃশ্যপট চোঁখে না দেখলে অনুভব করা সম্ভাব নয় যে,তাঁদের আনন্দের যেন সীমা নেই।কথা হয় বর্তমানে নতুন ঠিকানায় বসবাস কারা সাদ্দাম হোসেন দম্পতিরর সাথে।

অনেকেই অনেক কথা এ প্রতিবেদকের নিকট বলতে চাইলেও তাঁদের কথাগুলো ছিল যেন ভিন্নতা। কেননা তাঁরা নবদম্পতি। আগে ঘর ছিল না,জমি ছিল না,রাস্তার ধাঁরে ঘুপড়ী ঘরে বসবাস করতো।রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারতো না।কখন বুঝি তাঁদের পলিথিন এর বেঁড়ায় কেই টোকা দেয় এ ভয়ে।এখন গাভার চরে ১৩০ টি পরিবারের মধ্যে তাঁরাও একটি পরিবার। তাঁদের চারপাশে সকলেই যেন প্রতিবেশি। ডাঁকলেই সকলকে বিপদে কাঁছে পাওয়া যায়।

গাভারচর যেন প্রধানমন্ত্রী দেওয়া নতুন গ্রাম।যাঁর আলোয় ঝিকমিক করছে আষাড়ের রৌদ্রছায়ার খেলা।কথা হয় আরও অনেক উপকারভোগীর সাথে,যাঁদের মধ্যে বয়োবৃদ্ধা ছবিরন বেগম,মাহাতাব উদ্দীন (৫০)সহ অনেকই আগে ছিন্নমূল এর মত বসবাস করতো।এখন নতুন ঘরে বসবাস করছে।এ ঘরে থাকতে কোন সমস্যা বা অনিয়ম হয়েছে কি না তা জানতে চাইলে বলেন,আমাদের এখানে ঘর গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। অনিয়ম কি বুঝিনা!! তবে বসবাস করতে সমস্যা নেই।কাজ শেষে ঘরে ফিরে, পাঁকা ঘরের সাথে পাঁকা বাথরুম। এ যেন স্বপ্ন!!এমন করে মনের অজান্তে আনন্দের কথাগুলো বলেই চলেছিলেন সুবিধাভোগীরা। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন,এ উপজেলায় ৪০০ শত ঘরের বরাদ্ধ হয়েছে।

যাঁরমধ্যে ৩৩০টি ঘর উপকারভোগীদের কাছে চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে।বাকি ৭০ টির কাজ চলমান রয়েছে।এ ছাঁড়া সকল ঘরগুলো সব সময় নির্মাণ কমিটি তদারকি করে সমস্যা থাকলে সমাধানের জন্য কাজ করেই চলেছে।সাথে তিনি বলেন,গৃহহীন ও ভুমিহীনদের জন্য প্রস্তুত করা প্রত্যেকটি ঘর মমতার সাথে নির্মাণ করে তা হস্তান্তরে সার্বিক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।এ বিষয়ে সাতক্ষীরা নবাগত জেলা প্রশাসক হুমায়ন কবীর জানিয়েছেন,যোগদান করেই এ প্রকল্প সরেজমিন গিয়ে দেখেছি,এখনোও পর্যন্ত সদরে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।তবে কোন অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ