০২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

কচু চাষে ভাগ্য বদলের আশা

নরসিংদীর বেলাবতে অল্প পুজিতে স্বল্প সময়ে ওল কচু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন অধ্যক্ষ সোহাগ মিয়া। সোহাগ নরসিংদীর বেলাব উপজেলার আমলাব ইউনিয়ন ধুকুন্দী গ্রামের মোঃআঃ রহিম মিয়ার ছেলে। ধুকুন্দী রেংক্স কিন্ডারগার্টেন স্কুলের অধ্যক্ষ।করোনায় স্কুলবন্ধ থাকায় স্বামী- স্বী যৌথ উদ্যোগে ১ বিঘ জমিতে ওল কচু এবং ১ বিঘা জমিতে মুখী কচু চাষ করেছে . স্বপ্ন দেখছেন ভাগ্য বদলের । আবহাওয়া অনুকূল এবং অন্যান্য সবজির চেয়ে কচুর কদর অনেক বেড়ে যাওয়ায় এর চাষাবাদ বেড়েছে সব গ্রামেই।

ওল কচু বাজারে ব্যাপক চাহিদা এবং খাদ্যে অনেক সু -স্বাদু হওয়ায় চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

মোঃ সোহাগ মিয়া জানান অন্যান্য তরকারীর তুলনায় ওল কচু চাষে সার খরচ অনেক কম লাগে। জৈব সার পরিমাণ মত দিলেই চলে। রাসায়নিক সারের পরিমান কম দিতে হয় বলে কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে। তবে জমির চাহিদা অনুযায়ী সেচ দিয়ে কম খরচে বেশি উৎপাদন করা যায়।তাই আমি ওল কচু বানিজ্যিক ভাবে চাষ করছি।উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনা মূল্যে প্রায় ২০০ কেজি ওল কচু বীজ সংগ্রহ করে প্রশিক্ষণ নিয়ে চাষ শুরু করেছি। ২ বিঘা জমিতে কচু চাষ করেছি। যদি ভালো উৎপাদন ও ভালো বাজার পাওয়া যায় তবে লাভবান হতে পারবো।

উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী ফাতেমা আক্তার জানান, আমরা উপজেলায় বেকার শিক্ষিত যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ওল কচু, কাজু বাদাম,এবং কফি চাষে অদ্ভুদ্ধ করছি। ওল কচু চাষে বিঘা প্রতি উৎপাদন খরচ হবে ২৫-২৬হাজার টাকা।ফলন ভালো হলে বিঘা প্রতি ১১০ থেকে ১২০ মণ উৎপাদন করা সম্ভব। প্রতি কেজি ৪৫-৫০ টাকা দরে প্রতি বিঘা জমি থেকে বিক্রি হবে ২২০০০০- ২৪০০০০ টাকা। যা বিঘা প্রতি লাভ করা যাবে প্রায় ২১৫০০০ টাকা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজি-উর রউফ খান বলেন

কম খরচে অধিক লাভবান হওয়া যায় বলে কৃষকরা বানিজ্যিকভাবে বিভিন্ন প্রকার কচু উৎপাদন করছেন। অধিক লাভ হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা অন্যান্য তরকারির মত কচুর চাষাবাদ বাড়িয়েছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর বিনা মূল্যে বীজ ও কৃ কীটনাশক দয়িে সর্বাত্মক সহযোগিতার করছ।ি আশা করি কৃষকরা লাভবান হতে পারবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শাহজাদপুর ১ লাখ ৩৫ হাজার পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত

কচু চাষে ভাগ্য বদলের আশা

প্রকাশিত : ০৭:৪৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই ২০২১

নরসিংদীর বেলাবতে অল্প পুজিতে স্বল্প সময়ে ওল কচু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন অধ্যক্ষ সোহাগ মিয়া। সোহাগ নরসিংদীর বেলাব উপজেলার আমলাব ইউনিয়ন ধুকুন্দী গ্রামের মোঃআঃ রহিম মিয়ার ছেলে। ধুকুন্দী রেংক্স কিন্ডারগার্টেন স্কুলের অধ্যক্ষ।করোনায় স্কুলবন্ধ থাকায় স্বামী- স্বী যৌথ উদ্যোগে ১ বিঘ জমিতে ওল কচু এবং ১ বিঘা জমিতে মুখী কচু চাষ করেছে . স্বপ্ন দেখছেন ভাগ্য বদলের । আবহাওয়া অনুকূল এবং অন্যান্য সবজির চেয়ে কচুর কদর অনেক বেড়ে যাওয়ায় এর চাষাবাদ বেড়েছে সব গ্রামেই।

ওল কচু বাজারে ব্যাপক চাহিদা এবং খাদ্যে অনেক সু -স্বাদু হওয়ায় চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

মোঃ সোহাগ মিয়া জানান অন্যান্য তরকারীর তুলনায় ওল কচু চাষে সার খরচ অনেক কম লাগে। জৈব সার পরিমাণ মত দিলেই চলে। রাসায়নিক সারের পরিমান কম দিতে হয় বলে কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে। তবে জমির চাহিদা অনুযায়ী সেচ দিয়ে কম খরচে বেশি উৎপাদন করা যায়।তাই আমি ওল কচু বানিজ্যিক ভাবে চাষ করছি।উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনা মূল্যে প্রায় ২০০ কেজি ওল কচু বীজ সংগ্রহ করে প্রশিক্ষণ নিয়ে চাষ শুরু করেছি। ২ বিঘা জমিতে কচু চাষ করেছি। যদি ভালো উৎপাদন ও ভালো বাজার পাওয়া যায় তবে লাভবান হতে পারবো।

উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী ফাতেমা আক্তার জানান, আমরা উপজেলায় বেকার শিক্ষিত যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ওল কচু, কাজু বাদাম,এবং কফি চাষে অদ্ভুদ্ধ করছি। ওল কচু চাষে বিঘা প্রতি উৎপাদন খরচ হবে ২৫-২৬হাজার টাকা।ফলন ভালো হলে বিঘা প্রতি ১১০ থেকে ১২০ মণ উৎপাদন করা সম্ভব। প্রতি কেজি ৪৫-৫০ টাকা দরে প্রতি বিঘা জমি থেকে বিক্রি হবে ২২০০০০- ২৪০০০০ টাকা। যা বিঘা প্রতি লাভ করা যাবে প্রায় ২১৫০০০ টাকা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজি-উর রউফ খান বলেন

কম খরচে অধিক লাভবান হওয়া যায় বলে কৃষকরা বানিজ্যিকভাবে বিভিন্ন প্রকার কচু উৎপাদন করছেন। অধিক লাভ হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা অন্যান্য তরকারির মত কচুর চাষাবাদ বাড়িয়েছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর বিনা মূল্যে বীজ ও কৃ কীটনাশক দয়িে সর্বাত্মক সহযোগিতার করছ।ি আশা করি কৃষকরা লাভবান হতে পারবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ