০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

আজমিরীগঞ্জে ব্রীজের এপ্রোচে বড় ভাঙ্গনের সৃষ্টি। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে আজমিরীগঞ্জ -বানিয়াচং সড়কের কুশিয়ারা শাখা নদীর সুজনী খালের উপর নির্মিত ব্রীজের এক অংশে এপ্রোচের মাটি সরে  ব্লক ভেঙ্গে  গিয়ে বিশাল ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে।  সাথে সড়কের বিভিন্ন অংশেও রয়েছে  ছোট ছোট আরো বেশ কটি ভাঙ্গন। সম্প্রতি মুষলধারে একটানা বৃষ্টির কারনে এমন গর্তের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবী স্হানীয় এলাকাবাসীর। এই অংশটি এখনই  দ্রুত মেরামত না করলে একাধারে বৃষ্টি ও বর্ষায় পানি বাড়ার সাথে সাথে ব্রীজের সাথে সড়কের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন হবার আশংকা করছেন এলাকাবাসী। এতে করে আজমিরীগঞ্জ সদর থেকে  জলসুখা ইউনিয়ন, শিবপাশা ইউনিয়ন এবং  প্বার্শবর্তী   বানিয়াচং উপজেলা ও  হবিগঞ্জ জেলা শহরে যেতে দুর্ভোগ পোহাতে  হবে  আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বাসী সহ পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জের শাল্লা এবং কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বেশ কটি ইউনিয়নের কয়েক লক্ষ বাসিন্দাদের। গত ১৫ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ভাঙ্গনের বিষয়টি নজরে আসে স্হানীয়দের।
শনিবার  (১৭ জুলাই)  সরজমিনে গিয়ে যায় ব্রীজের এপ্রোচের একপাশে মাটি সরে গিয়ে রাস্তার বল্ক ভেঙ্গে নিচে পরে রয়েছে। রাস্তার উভয় পাশে একই রকমের ছোট বড় আরো বেশ কটি ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। ন এ অবস্হায় ঝুকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করলে রাস্তায় বসানো হয়নি কোনো বিপদ সংকেত বোর্ড।
সিএনজি চালক সাবু মিয়া জানান-প্রতিদিন যাত্রী নিয়ে জেলা জেলা শহরে যাওয়া আসতে করতে হয়। কোনো ধরনের বিপদ সংকেত বোর্ড না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে   দিনে কিংবা রাতে যাত্রী নিয়ে চলাফেরা করতে হয়।
পিকআপ ভ্যান চালক জাহের মিয়া জানান- প্রতিদিন জেলা শহর থেকে সবজি, সহ বিভিন্ন রকমের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া আসা করি। এই ভাঙ্গনটি একটু বড় হলেই গাড়ি উপজেলা সদরের বাজারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জের সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান-  খবর পেয়ে মেরামতের জন্য লোক পাঠানো হয়েছে। বৃষ্টিতে যেনো রাস্তাটি  আর না ভাঙ্গে এজন্য  বস্তা দিয়ে আপাতত আমরা ভরাট করছি।
এবিষয়ে হবিগঞ্জের সড়ক ও জনপথ বিভাগের  নির্বাহী প্রকৌশলী সজিব আহমেদ জানান- যেহেতু আমাদের ডিপার্মেন্টের কিছু মেরামত করার নিয়ম আছে আপাতত   জিও ব্যাগে বালু  দিয়ে ভাঙ্গনটি ভরাটের কাজ শুরু করা হয়েছে।এ ছাড়া আপাতত আমাদের আর কিছু করার নেই  তবে  নতুন অর্থ বছরে ফান্ড আসলে পরে আমরা টেন্ডারের  মাধ্যমে ঐ অংশটুকু পরিপুর্ণ মেরামত করতে পারবো।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শাহজাদপুর ১ লাখ ৩৫ হাজার পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত

আজমিরীগঞ্জে ব্রীজের এপ্রোচে বড় ভাঙ্গনের সৃষ্টি। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

প্রকাশিত : ০৪:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জুলাই ২০২১
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে আজমিরীগঞ্জ -বানিয়াচং সড়কের কুশিয়ারা শাখা নদীর সুজনী খালের উপর নির্মিত ব্রীজের এক অংশে এপ্রোচের মাটি সরে  ব্লক ভেঙ্গে  গিয়ে বিশাল ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে।  সাথে সড়কের বিভিন্ন অংশেও রয়েছে  ছোট ছোট আরো বেশ কটি ভাঙ্গন। সম্প্রতি মুষলধারে একটানা বৃষ্টির কারনে এমন গর্তের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবী স্হানীয় এলাকাবাসীর। এই অংশটি এখনই  দ্রুত মেরামত না করলে একাধারে বৃষ্টি ও বর্ষায় পানি বাড়ার সাথে সাথে ব্রীজের সাথে সড়কের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন হবার আশংকা করছেন এলাকাবাসী। এতে করে আজমিরীগঞ্জ সদর থেকে  জলসুখা ইউনিয়ন, শিবপাশা ইউনিয়ন এবং  প্বার্শবর্তী   বানিয়াচং উপজেলা ও  হবিগঞ্জ জেলা শহরে যেতে দুর্ভোগ পোহাতে  হবে  আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বাসী সহ পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জের শাল্লা এবং কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বেশ কটি ইউনিয়নের কয়েক লক্ষ বাসিন্দাদের। গত ১৫ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ভাঙ্গনের বিষয়টি নজরে আসে স্হানীয়দের।
শনিবার  (১৭ জুলাই)  সরজমিনে গিয়ে যায় ব্রীজের এপ্রোচের একপাশে মাটি সরে গিয়ে রাস্তার বল্ক ভেঙ্গে নিচে পরে রয়েছে। রাস্তার উভয় পাশে একই রকমের ছোট বড় আরো বেশ কটি ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। ন এ অবস্হায় ঝুকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করলে রাস্তায় বসানো হয়নি কোনো বিপদ সংকেত বোর্ড।
সিএনজি চালক সাবু মিয়া জানান-প্রতিদিন যাত্রী নিয়ে জেলা জেলা শহরে যাওয়া আসতে করতে হয়। কোনো ধরনের বিপদ সংকেত বোর্ড না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে   দিনে কিংবা রাতে যাত্রী নিয়ে চলাফেরা করতে হয়।
পিকআপ ভ্যান চালক জাহের মিয়া জানান- প্রতিদিন জেলা শহর থেকে সবজি, সহ বিভিন্ন রকমের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া আসা করি। এই ভাঙ্গনটি একটু বড় হলেই গাড়ি উপজেলা সদরের বাজারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জের সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান-  খবর পেয়ে মেরামতের জন্য লোক পাঠানো হয়েছে। বৃষ্টিতে যেনো রাস্তাটি  আর না ভাঙ্গে এজন্য  বস্তা দিয়ে আপাতত আমরা ভরাট করছি।
এবিষয়ে হবিগঞ্জের সড়ক ও জনপথ বিভাগের  নির্বাহী প্রকৌশলী সজিব আহমেদ জানান- যেহেতু আমাদের ডিপার্মেন্টের কিছু মেরামত করার নিয়ম আছে আপাতত   জিও ব্যাগে বালু  দিয়ে ভাঙ্গনটি ভরাটের কাজ শুরু করা হয়েছে।এ ছাড়া আপাতত আমাদের আর কিছু করার নেই  তবে  নতুন অর্থ বছরে ফান্ড আসলে পরে আমরা টেন্ডারের  মাধ্যমে ঐ অংশটুকু পরিপুর্ণ মেরামত করতে পারবো।