চলতি বছর হজ প্যাকেজ অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সুবিধা অনুযায়ী হজে যাওয়ার টাকা নির্ধারণ হবে। কেউ যদি ভালো হোটেলে থাকে, তাহলে খরচ স্বাভাবিকভাবে বেশি হবে।
আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্যাকেজ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সভার সিদ্ধান্ত জানান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। তিনি বলেন, এবার হজে যাবেন এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন এক লাখ ২০ হাজার। আর সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৭ হাজার ১৯৭ জন।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুই প্যাকেজে হজে যাওয়া যাবে। হজ ১ প্যাকেজ অনুযায়ী খরচ হবে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৯২৯ টাকা। সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্যাকেজ ২ এ খরচ হবে ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৯ টাকা। বিমান ভাড়াসহ সব মিলে এক লাখ ৩৮ হাজার ১৯১ টাকা খরচ পড়বে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বিমানভাড়াসহ অন্যান্য সাধারণ খরচ ধরা হয়েছে এক লাখ ৩৮ হাজার ২৭৭ টাকা। এর সঙ্গে হজ এজেন্সিগুলো অন্য সার্ভিস চার্জ মিলিয়ে বাকি খরচ নির্ধারণ করবে। সর্বনিম্ন মোট খরচ সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্যাকেজ ২ এর কম হতে পারবে না। অর্থাৎ, বেসরকারি ব্যবস্থাপনারও সর্বনিম্ন খরচ ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৯ টাকার কম হওয়া যাবে না।
এছাড়া আজকের সভায় শিশু সংশোধন আইন ২০১৮ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এই সংশোধন অনুযায়ী এখন প্রত্যেক জেলা সদরে এক বা একাধিক শিশু আদালত কাজ করবে। মূলত নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালই এই শিশু আদালত হিসেবে কাজ করবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সংশোধন আইন, বস্ত্র আইন ২০১৮ এর খসড়া, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ২০১৮ এর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং মিড ওয়াইফ পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষ কোটার কোনো পদে যোগ্য প্রার্থীর অভাবে তা পূরণ করা না গেলে, সেগুলো মেধাতালিকা থেকে পূরণ করার জন্য ওই ব্যবস্থা একাকালীন শিথিল করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।






















