০১:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

হোটেল কক্ষে মিলল যুবতীর লাশ

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা শহরের বড় বাজারের একটি আবাসিক হোটেল থেকে ফরিদা খাতুন (২২) নামে এক যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে স্বামী পরিচয়ে হোটেলে উঠা তরুণ আনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে তরুণীর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেল মালিক রঞ্জু জোয়ার্দার, ম্যানেজার আনিসুর রহমান ও কর্মচারী শাহিন আলীকে আটক করেছে পুলিশ।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের ওসি (অপারেশন) আমির আব্বাস জানান, দুপুরে হোটেল কর্তৃপক্ষ থানা পুলিশকে অবহিত করে হোটেলের ২২৪ নম্বর কক্ষ তালাবদ্ধ রয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কক্ষের তালা ভেঙে ফরিদা খাতুনের মরদেহ দেখতে পায়। মরদেহ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেল মালিকসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ।

হোটেল মালিক রঞ্জু জোয়ার্দার জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ফরিদা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে গাজীপুর শহরের আনোয়ার হোসেন নামে এক তরুণ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ২২৪ নম্বর রুম ভাড়া নেয়।

সোমবার সকালে ওই কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পায় হোটেল কর্তৃপক্ষ। কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে চুয়াডাঙ্গা থানা পুলিশে খবর দেয়া হয়। এরপর পুলিশ ওই কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের ওসি দেলোয়ার হোসেন খান জানান, হত্যা না অন্য কোনো ঘটনা তা জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। ঘটনার পর থেকে স্বামী পরিচয় দেয়া আনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

হোটেল কক্ষে মিলল যুবতীর লাশ

প্রকাশিত : ০৮:২৩:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা শহরের বড় বাজারের একটি আবাসিক হোটেল থেকে ফরিদা খাতুন (২২) নামে এক যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে স্বামী পরিচয়ে হোটেলে উঠা তরুণ আনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে তরুণীর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেল মালিক রঞ্জু জোয়ার্দার, ম্যানেজার আনিসুর রহমান ও কর্মচারী শাহিন আলীকে আটক করেছে পুলিশ।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের ওসি (অপারেশন) আমির আব্বাস জানান, দুপুরে হোটেল কর্তৃপক্ষ থানা পুলিশকে অবহিত করে হোটেলের ২২৪ নম্বর কক্ষ তালাবদ্ধ রয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কক্ষের তালা ভেঙে ফরিদা খাতুনের মরদেহ দেখতে পায়। মরদেহ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেল মালিকসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ।

হোটেল মালিক রঞ্জু জোয়ার্দার জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ফরিদা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে গাজীপুর শহরের আনোয়ার হোসেন নামে এক তরুণ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ২২৪ নম্বর রুম ভাড়া নেয়।

সোমবার সকালে ওই কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পায় হোটেল কর্তৃপক্ষ। কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে চুয়াডাঙ্গা থানা পুলিশে খবর দেয়া হয়। এরপর পুলিশ ওই কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের ওসি দেলোয়ার হোসেন খান জানান, হত্যা না অন্য কোনো ঘটনা তা জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। ঘটনার পর থেকে স্বামী পরিচয় দেয়া আনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন।