০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

মমেক হাসপাতালে একদিনে মৃত্যুর রেকর্ড

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৯ জন করোনা শনাক্ত হয়ে এবং ১৪ জন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। যা এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মহিউদ্দিন খান মুন। রোববার সকাল ৮ টা থেকে সোমবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত তাদের মৃত্যু হয় বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ইউনিটটিতে করোনায় মারা গেছেন ময়মনসিংহ সদরের আলি ফতেন্নেসা, সুক্লা, হালুয়াঘাটের মোহাম্মদ আলি, ত্রিশালের সাব্বির, মুক্তাগাছার লিয়াকত আলি, গফরগাঁও উপজেলার বকুলা, নেত্রকোনা সদরের হামিদা খাতুন, খালিয়াঝুড়ির শাহজাহান মিয়া ও গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ফয়েজ বানু।

এছাড়া ওই সময়ের মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান- ময়মনসিংহ সদরের মো. সাইফুজ্জামান, ফিরোজা খাতুন, ইসমাইল হোসেন, আব্দুস সিদ্দিক, নান্দাইলের রমেসা খাতুন, ভালুকার তাজ উদ্দিন, ত্রিশালের আঞ্জুমান, গফরগাঁওয়ের আব্দুর রাজ্জাক ও ফুলপুরের সেলিম, নেত্রকোনা সদরের পাপিয়া, পূর্বধলা উপজেলার আব্দুর রশিদ, টাঙ্গাইল সদরের বিনয় কিশ পোদ্দার, মধুপুরের খলিল মিয়া এবং গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নুরুল ইসলাম।

ডা. মহিউদ্দিন খান মুন জানান, করোনা ইউনিটে বর্তমানে ৪৫৬ জন রোগী ভর্তি আছেন ৷ এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ১৯ জন রোগী। নতুন ভর্তি হয়েছেন ৮৪ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৭ জন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৩৩.৯২ কোটি টাকার উইকেয়ার প্রকল্পের সড়ক উদ্বোধন

মমেক হাসপাতালে একদিনে মৃত্যুর রেকর্ড

প্রকাশিত : ০৪:২৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৯ জন করোনা শনাক্ত হয়ে এবং ১৪ জন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। যা এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মহিউদ্দিন খান মুন। রোববার সকাল ৮ টা থেকে সোমবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত তাদের মৃত্যু হয় বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ইউনিটটিতে করোনায় মারা গেছেন ময়মনসিংহ সদরের আলি ফতেন্নেসা, সুক্লা, হালুয়াঘাটের মোহাম্মদ আলি, ত্রিশালের সাব্বির, মুক্তাগাছার লিয়াকত আলি, গফরগাঁও উপজেলার বকুলা, নেত্রকোনা সদরের হামিদা খাতুন, খালিয়াঝুড়ির শাহজাহান মিয়া ও গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ফয়েজ বানু।

এছাড়া ওই সময়ের মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান- ময়মনসিংহ সদরের মো. সাইফুজ্জামান, ফিরোজা খাতুন, ইসমাইল হোসেন, আব্দুস সিদ্দিক, নান্দাইলের রমেসা খাতুন, ভালুকার তাজ উদ্দিন, ত্রিশালের আঞ্জুমান, গফরগাঁওয়ের আব্দুর রাজ্জাক ও ফুলপুরের সেলিম, নেত্রকোনা সদরের পাপিয়া, পূর্বধলা উপজেলার আব্দুর রশিদ, টাঙ্গাইল সদরের বিনয় কিশ পোদ্দার, মধুপুরের খলিল মিয়া এবং গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নুরুল ইসলাম।

ডা. মহিউদ্দিন খান মুন জানান, করোনা ইউনিটে বর্তমানে ৪৫৬ জন রোগী ভর্তি আছেন ৷ এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ১৯ জন রোগী। নতুন ভর্তি হয়েছেন ৮৪ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৭ জন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর