০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

২ হাজার ২শ চাষি পাবে ৩৬ লক্ষাধিক টাকা

কৃষিতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৫৮৩ কোটি টাকা

পিরোজপুর জেলায় আউশ ধান চাষে চাষিদের আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। চলতি আউশ মৌসুমে সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় এ লক্ষ্যে পিরোজপুরের আউশ চাষিদের জন্য ৩৬ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছে। জেলার ৭ উপজেলার ৫১ টি ইউনিয়নে ২ হাজার ২ শত ১২জন আউশ চাষি এ প্রণোদনা সহায়তা পাবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পিরোজপুরের উপ-পরিচালক এর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে এ বছর পিরোজপুরে ১২ হাজার ২৭ হেক্টরে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আউশ চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার ৪ শত ৭৩ মেঃ টন। উচ্চ ফলনশীল জাতের চাষ করা হচ্ছে ১১ হাজার ৭ শত হেক্টরে, স্থানীয় জাতের চাষ হবে ১ শত ৮৫ হেক্টরে এবং হাইব্রিডের চাষ হবে ১ শত ১৪ হেক্টর জমিতে।

উফশী চাষে প্রণোদনা সহায়তা প্রদান করা হবে ২ হাজার ১২ জন চাষিকে। প্রত্যেক চাষিকে প্রতি বিঘার জন্য উফশী ধানের বীজ ৫ কেজি, ইউরিয়া সার ২০ কেজি, ডিএপি সার ১০ কেজি এবং এমওপি সার ১০ কেজি ছাড়াও নগদ সেচ সহায়তা পাবে ৫ শত টাকা। এ জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩২ লাখ ১৪ হাজার ১শত ৭০ টাকা। অন্যদিকে নেরিকা জাতের আউশ চাষের জন্য প্রণোদনা সহায়তা পাবে ২শত জন চাষি। প্রতি বিঘার জন্য ১০ কেজি বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি, এমওপি ছাড়াও আগাছা দমন ও সেচ সহায়তা বাবদ ৮ শত টাকা প্রত্যেক চাষির ব্যাংক হিসেবে প্রেরণ করা হবে। এ খাতে ব্যয় করা হবে ৪ লাখ ১৯ হাজার ৫শত টাকা।

chashi

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপপ্তরের পিরোজপুরের উপ-পরিচালক আবু হেনা মোহাম্মদ জাফর বিজনেস বাংলাদেশকে জানান চাষিদের সার বীজ বিনামূল্যে প্রদানের পাশাপাশি সার্বক্ষণিক পরামর্শ প্রদান করা হবে। কৃষি বিভাগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা বীজতলা তৈরি থেকে পাকা ধান কর্তন পর্যন্ত চাষিদের পরামর্শ প্রদানের কাজে নিয়োজিত থাকবেন। পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা গ্রামের আউশ চাষি আ. হামিদ বিজনেস বাংলাদেশকে জানান মূলতঃ উৎপাদন খরচ বেশী হওয়ায় অন্যদিকে ধান চালের মূল্য কম থাকায় চাষিদের ধান চাষে উৎসাহ কমে যাচ্ছে।

সরকারের এ প্রণোদনা সহায়তা চাষিদের চাষাবাদে উৎসাহিত করবে এবং চলতি আউশ মৌসুমে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে চাল উৎপাদনে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করা সম্ভব হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রমজানে ১১ পণ্যের এলসি খোলা সহজ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

২ হাজার ২শ চাষি পাবে ৩৬ লক্ষাধিক টাকা

প্রকাশিত : ১০:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

পিরোজপুর জেলায় আউশ ধান চাষে চাষিদের আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। চলতি আউশ মৌসুমে সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় এ লক্ষ্যে পিরোজপুরের আউশ চাষিদের জন্য ৩৬ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছে। জেলার ৭ উপজেলার ৫১ টি ইউনিয়নে ২ হাজার ২ শত ১২জন আউশ চাষি এ প্রণোদনা সহায়তা পাবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পিরোজপুরের উপ-পরিচালক এর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে এ বছর পিরোজপুরে ১২ হাজার ২৭ হেক্টরে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আউশ চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার ৪ শত ৭৩ মেঃ টন। উচ্চ ফলনশীল জাতের চাষ করা হচ্ছে ১১ হাজার ৭ শত হেক্টরে, স্থানীয় জাতের চাষ হবে ১ শত ৮৫ হেক্টরে এবং হাইব্রিডের চাষ হবে ১ শত ১৪ হেক্টর জমিতে।

উফশী চাষে প্রণোদনা সহায়তা প্রদান করা হবে ২ হাজার ১২ জন চাষিকে। প্রত্যেক চাষিকে প্রতি বিঘার জন্য উফশী ধানের বীজ ৫ কেজি, ইউরিয়া সার ২০ কেজি, ডিএপি সার ১০ কেজি এবং এমওপি সার ১০ কেজি ছাড়াও নগদ সেচ সহায়তা পাবে ৫ শত টাকা। এ জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩২ লাখ ১৪ হাজার ১শত ৭০ টাকা। অন্যদিকে নেরিকা জাতের আউশ চাষের জন্য প্রণোদনা সহায়তা পাবে ২শত জন চাষি। প্রতি বিঘার জন্য ১০ কেজি বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি, এমওপি ছাড়াও আগাছা দমন ও সেচ সহায়তা বাবদ ৮ শত টাকা প্রত্যেক চাষির ব্যাংক হিসেবে প্রেরণ করা হবে। এ খাতে ব্যয় করা হবে ৪ লাখ ১৯ হাজার ৫শত টাকা।

chashi

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপপ্তরের পিরোজপুরের উপ-পরিচালক আবু হেনা মোহাম্মদ জাফর বিজনেস বাংলাদেশকে জানান চাষিদের সার বীজ বিনামূল্যে প্রদানের পাশাপাশি সার্বক্ষণিক পরামর্শ প্রদান করা হবে। কৃষি বিভাগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা বীজতলা তৈরি থেকে পাকা ধান কর্তন পর্যন্ত চাষিদের পরামর্শ প্রদানের কাজে নিয়োজিত থাকবেন। পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা গ্রামের আউশ চাষি আ. হামিদ বিজনেস বাংলাদেশকে জানান মূলতঃ উৎপাদন খরচ বেশী হওয়ায় অন্যদিকে ধান চালের মূল্য কম থাকায় চাষিদের ধান চাষে উৎসাহ কমে যাচ্ছে।

সরকারের এ প্রণোদনা সহায়তা চাষিদের চাষাবাদে উৎসাহিত করবে এবং চলতি আউশ মৌসুমে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে চাল উৎপাদনে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করা সম্ভব হবে।