নওগাঁয় যৌতুকের দাবিতে মারপিট করে চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।
জানা যায়, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বেলঘড়িয়া গ্রামের পিতা মৃত মোজাহার আলী মেয়ে মহসিনা পারভীন (২৮) এর সাথে ঢাকা জেলার ভাষানটেক থানার এটিএম মোস্তফা কামাল এর ছেলে মোহাম্মদ জাহিদ হাসান (৩৬) সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক কারণে নওগাঁ সদর উপজেলার চকবিরাম গ্রামের মানছুরা জলিল এর ভাড়া থাকেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রে জানাযায়, মোহাম্মদ জাহিদ হাসান এর সাথে মহসীনা পারভিনের ০৬ বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়। এবং ০৪ বছরের একটি সন্তান আছে। সন্তান জন্ম গ্রহণের পর থেকে যৌতুকের জন্য শারীরিক ভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন শুরু করে। বিষয়টি মহসীনা পারভিনের বাবা, মাকে জানাইলে ০৬লক্ষ টাকা যৌতুক দেয়। যৌতুক দেওয়ার কিছুদিন না যেতেই আবারো ০৫লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবীতে নির্যাতন শুরু করে।
এই বিষয়ে মহসীনা পারভিন জানান, আমার মাথার চুল উঠে যাওয়ার কারণে গত ২১/০৭/২১ইং তারিখ দুপুর ১২টার সময় আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক মাথার চুল কেটে ন্যাড়া করে দেয়ার পর আবারো যৌতুকের দাবীতে ৩০/০৭/২১ ইং তারিখ রাত ০৮:০০ সময় পুনরায় ০৫লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে। আমার বাবা-মা টাকা দিতে অস্বীকার করেন। যৌতুক টাকা না দেওয়াতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট শুরু করে। পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন উদ্ধার করে।
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, নির্যাতনের বিষয়ে গ্রামবাসী থানায় খবর দিলে পুলিশ তাৎক্ষণিক গিয়ে আসামীকে আটক করে। এবং নির্যাতিত মহসীনা পারভিন বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















