০২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

বিমান বিধ্বস্তে বেঁচে যাওয়া যাত্রী যা বললেন

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান দুর্ঘটনায় ২ শিশুসহ ৫০ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ২৭ জন মারাত্মক আহত হয়েছেন। বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে একজন হলেন বহোরা। তিনি রাস্বিত আন্তর্জাতিক ট্রাভেলস অ্যান্ড ‍ট্যুরসের একজন কর্মকর্তা।

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় যখন আগুন ধরে ইউ-এস বাংলা উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। এসময় বহোরা নামে ওই নেপালী যাত্রী জানালার কাচ ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঢাকা থেকে উড়োজাহাজটি উড্ডয়নের সময় স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু কাঠমান্ডুতে অবতরণের সময় এটি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে উড়োজাহাজটি ঝাঁকুনি খেতে থাকে এবং এর পরপরই বিকট শব্দ হয়। এ সময় দুর্ঘটনা অনুমান করতে পেরে যাত্রীরা হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার আসনটি জানালার কাছে ছিল এবং আমি জানালার কাচ ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হই।’ উড়োজাহাজে থাকা এই যাত্রীর বরাত দিয়ে কাঠমান্ডু পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন ১৬ জন নেপালী।

বহোরা জানান, তিনিসহ ১৬ জন নেপালের বিভিন্ন ট্রাভেল সংস্থার হয়ে বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন। এখন তিনি কাঠমান্ডুর থাপাথালিভিত্তিক নরভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি আরো বলেন, ‘উড়োজাহাজটি থেকে বেরিয়ে আসার পর আমি আর কিছু মনে করতে পারি না। কেউ একজন আমাকে সিনামঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং সেখান থেকে আমার বন্ধুরা নরভিক হাসপাতালে নিয়ে আসেন।’

তার মাথায় ও পায়ে আঘাত লেগেছে। ভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে গেছেন বলে জানান বহোরা

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

‘আগস্টের শেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু’

বিমান বিধ্বস্তে বেঁচে যাওয়া যাত্রী যা বললেন

প্রকাশিত : ০১:২২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান দুর্ঘটনায় ২ শিশুসহ ৫০ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ২৭ জন মারাত্মক আহত হয়েছেন। বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে একজন হলেন বহোরা। তিনি রাস্বিত আন্তর্জাতিক ট্রাভেলস অ্যান্ড ‍ট্যুরসের একজন কর্মকর্তা।

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় যখন আগুন ধরে ইউ-এস বাংলা উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। এসময় বহোরা নামে ওই নেপালী যাত্রী জানালার কাচ ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঢাকা থেকে উড়োজাহাজটি উড্ডয়নের সময় স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু কাঠমান্ডুতে অবতরণের সময় এটি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে উড়োজাহাজটি ঝাঁকুনি খেতে থাকে এবং এর পরপরই বিকট শব্দ হয়। এ সময় দুর্ঘটনা অনুমান করতে পেরে যাত্রীরা হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার আসনটি জানালার কাছে ছিল এবং আমি জানালার কাচ ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হই।’ উড়োজাহাজে থাকা এই যাত্রীর বরাত দিয়ে কাঠমান্ডু পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন ১৬ জন নেপালী।

বহোরা জানান, তিনিসহ ১৬ জন নেপালের বিভিন্ন ট্রাভেল সংস্থার হয়ে বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন। এখন তিনি কাঠমান্ডুর থাপাথালিভিত্তিক নরভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি আরো বলেন, ‘উড়োজাহাজটি থেকে বেরিয়ে আসার পর আমি আর কিছু মনে করতে পারি না। কেউ একজন আমাকে সিনামঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং সেখান থেকে আমার বন্ধুরা নরভিক হাসপাতালে নিয়ে আসেন।’

তার মাথায় ও পায়ে আঘাত লেগেছে। ভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে গেছেন বলে জানান বহোরা