০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

আরও ২৫৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

একদিনে দেশে ২৫৫ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানীতেই রয়েছেনে একদিনে ২৩৩ জন। এই সময়ে একজন মারা গেছেন ডেঙ্গু জ্বরে। সেপ্টেম্বরের ৩ দিনে ৮৮০ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছেন।

দেশে ডেঙ্গুতে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরের এই কয়েকদিনে ৪ জন, আগস্টে মারা গেছেন ৩৩ জন এবং জুলাইতে ১২ জন। আগস্টে ৭ হাজার ৬৯৮ জন, জুলাইয়ে ২ হাজার ২৮৬ জন এবং জুন মাসে ২৭২ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ঢাকার বাইরেও ডেঙ্গু বাড়ছে। একদিনে ঢাকার বাইরে নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২২ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৫৭ জন। ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে মোট ভর্তি রোগী আছেন ১ হাজার ১২০ জন।

অন্যান্য বিভাগে বর্তমানে ভর্তি আছেন ১৩৭ জন। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ২৩৬ জন। সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ৯ হাজার ৯২৭ জন।

চলতি বছরেই মধ্যেই পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

আরও ২৫৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত : ১২:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

একদিনে দেশে ২৫৫ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানীতেই রয়েছেনে একদিনে ২৩৩ জন। এই সময়ে একজন মারা গেছেন ডেঙ্গু জ্বরে। সেপ্টেম্বরের ৩ দিনে ৮৮০ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছেন।

দেশে ডেঙ্গুতে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরের এই কয়েকদিনে ৪ জন, আগস্টে মারা গেছেন ৩৩ জন এবং জুলাইতে ১২ জন। আগস্টে ৭ হাজার ৬৯৮ জন, জুলাইয়ে ২ হাজার ২৮৬ জন এবং জুন মাসে ২৭২ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ঢাকার বাইরেও ডেঙ্গু বাড়ছে। একদিনে ঢাকার বাইরে নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২২ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৫৭ জন। ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে মোট ভর্তি রোগী আছেন ১ হাজার ১২০ জন।

অন্যান্য বিভাগে বর্তমানে ভর্তি আছেন ১৩৭ জন। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ২৩৬ জন। সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ৯ হাজার ৯২৭ জন।