০১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

আগারগাঁও কবরস্থানে পৃথুলাকে দাফন করা হবে

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত পাইলট পৃথুলা রশীদকে আগারগাঁও কবরস্থানে দাফন করা হবে। পরিবারের সদস্যদের পক্ষে থেকে নিহতের মামা তৈফিকুর রহমান সুমন বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

তৈফিকুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে পৃথুলার লাশ শনাক্ত করা হয়েছে। রবিবার বা সোমবার পৃথুলার লাশ দেশে আসতে পারে। গত মঙ্গলবার তার নানা রিয়াজ হায়দার নেপালে গেছেন। তিনি পৃথুলার মরদেহ সঙ্গে নিয়ে দেশে আসবেন।

তিনি বলেন, পৃথুলার দাফন করার বিষয় নিয়ে পরিবারের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আগাঁরগাঁও কবরস্থানে তাকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরিবারের সকলে লাশের অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পৃথুলার মৃত্যুর খবর পেয়ে গত ছয়দিন ধরে নাওয়া-খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন তার মা রাফেজা বেগম। দিনরাত তিনি অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বিলাপ করে চলছেন।

তার সঙ্গে কেউ দেখা করতে গেলেই বলছেন ‘আমার মেয়েকে নিয়ে আসেন। আমি মেয়েকে শেষ বারের মত দেখতে চাই’। মেয়েকে না দেখা পর্যন্ত কিছুই খাবেন না বলে বিলাপ করে চলছেন তিনি। বাবা আনিসুর রহমান ও আত্মীয়স্বজনরা তাকে নানাভাবে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

আগারগাঁও কবরস্থানে পৃথুলাকে দাফন করা হবে

প্রকাশিত : ১০:৫০:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত পাইলট পৃথুলা রশীদকে আগারগাঁও কবরস্থানে দাফন করা হবে। পরিবারের সদস্যদের পক্ষে থেকে নিহতের মামা তৈফিকুর রহমান সুমন বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

তৈফিকুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে পৃথুলার লাশ শনাক্ত করা হয়েছে। রবিবার বা সোমবার পৃথুলার লাশ দেশে আসতে পারে। গত মঙ্গলবার তার নানা রিয়াজ হায়দার নেপালে গেছেন। তিনি পৃথুলার মরদেহ সঙ্গে নিয়ে দেশে আসবেন।

তিনি বলেন, পৃথুলার দাফন করার বিষয় নিয়ে পরিবারের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আগাঁরগাঁও কবরস্থানে তাকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরিবারের সকলে লাশের অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পৃথুলার মৃত্যুর খবর পেয়ে গত ছয়দিন ধরে নাওয়া-খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন তার মা রাফেজা বেগম। দিনরাত তিনি অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বিলাপ করে চলছেন।

তার সঙ্গে কেউ দেখা করতে গেলেই বলছেন ‘আমার মেয়েকে নিয়ে আসেন। আমি মেয়েকে শেষ বারের মত দেখতে চাই’। মেয়েকে না দেখা পর্যন্ত কিছুই খাবেন না বলে বিলাপ করে চলছেন তিনি। বাবা আনিসুর রহমান ও আত্মীয়স্বজনরা তাকে নানাভাবে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।