১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

মানিকগঞ্জে স্বামী হত্যা: স্ত্রীসহ ২ জনের ফাঁসি

মানিকগঞ্জে স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ দুইজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

মঙ্গলবার সকালে জেলা ও দায়রা জজ মো. মিজানুর রহমান খান নিহতের স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও মো. নজরুল ইসলামকে ৩০২/৩৪ ধারায় ফাঁসির আদেশ দেন। দুই আসামির অনুপস্থিতিতেই এ রায় দেওয়া হয়।

বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি আব্দুস সালাম।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে নভেম্বরে হরিরামপুর উপজেলার কামারঘোনা গ্রামের রিকশাচালক ইদ্রিস আলীকে (৩৫) হত্যার পর ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে নিহতের স্ত্রীসহ তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে। পরে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মদন মোহন বনিক মামলাটি তদন্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।

আসামিদের মধ্যে নিহতের স্ত্রী সেলিনা এবং নজরুলকে ফাঁসির আদেশ এবং অপর আসামি দুলালকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। এদিকে আসামি পক্ষের কোনো আইনজীবী না থাকায় রাষ্ট্রপক্ষের একেএম কায়সারকে আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি আব্দুস সালাম।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ’২৬ এ রাজারহাটে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অধ্যক্ষ প্রধান শিক্ষক শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত

মানিকগঞ্জে স্বামী হত্যা: স্ত্রীসহ ২ জনের ফাঁসি

প্রকাশিত : ০৪:০৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

মানিকগঞ্জে স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ দুইজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

মঙ্গলবার সকালে জেলা ও দায়রা জজ মো. মিজানুর রহমান খান নিহতের স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও মো. নজরুল ইসলামকে ৩০২/৩৪ ধারায় ফাঁসির আদেশ দেন। দুই আসামির অনুপস্থিতিতেই এ রায় দেওয়া হয়।

বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি আব্দুস সালাম।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে নভেম্বরে হরিরামপুর উপজেলার কামারঘোনা গ্রামের রিকশাচালক ইদ্রিস আলীকে (৩৫) হত্যার পর ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে নিহতের স্ত্রীসহ তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে। পরে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মদন মোহন বনিক মামলাটি তদন্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।

আসামিদের মধ্যে নিহতের স্ত্রী সেলিনা এবং নজরুলকে ফাঁসির আদেশ এবং অপর আসামি দুলালকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। এদিকে আসামি পক্ষের কোনো আইনজীবী না থাকায় রাষ্ট্রপক্ষের একেএম কায়সারকে আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি আব্দুস সালাম।