কক্সবাজারের হিমছড়িতে টমটমচালক জহিরুল আলমকে হত্যার দায়ে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মীর শফিকুল আলম মঙ্গলবার দুপুরে এ আদেশ দেন।
আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আবুল কালাম আজাদ ও সাবেক পিপি সশামীম আরা স্বপ্না। তারা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানান।
২০১২ সালের ৩১ মার্চ ভ্রমণের কথা বলে পর্যটন স্পট হিমছড়িতে নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটনায় আসামিরা। নিহত জহিরুল আলম রামু উপজেলার চাকমারকুল এলাকার ইয়াকুব আলীর ছেলে।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রামু উপজেলার চেইন্দার আব্দুল হকের ছেলে ছৈয়দুল আমিন, টেকনাফের সিলবনিয়াপাড়ার মৃত ঈসমাইলের ছেলে মো. রফিক, টেকনাফের পল্লানপাড়ার মৃত শফির চেলে এনাম উদ্দিন রুবেল, চকরিয়া উপজেলার বদরখালীর মৃত নুরুজ্জামানের ছেলে শাহ নেওয়াজ ও টেকনাফের লম্বরীপাড়ার তাজুল ইসলামের ছেলে শফিকুল ইসলাম। এর মধ্যে শাহ নেওয়াজ ও শফিকুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) দীলিপ কুমার ধর জানান, ২০১২ সালের ৩১ মার্চ কক্সবাজারের হিমছড়িতে টমটমচালক জহিরুল আলমকে ভাড়া করে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় রামু থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মঙ্গলবার দুপুরে আদালত ওই মামলায় ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। রায় ঘোষণাকালে তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।




















