আগামী এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার ঋড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় হতাহতদের বীমার টাকা দেয়া শুরু হবে।
চলতি মাসে ১২ তারিখ নেপালে দুর্ঘটনায় পড়া উড়োজাহাজটির বীমা করা আছে সেনা কল্যাণ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের কাছে। সেনা কল্যাণ ইন্সুরেন্স কোম্পানি পুনঃবীমা অংশের অর্ধেক সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং বাকী অংশ পুনঃবীমা ব্রোকার কে এম দাস্তুর অ্যান্ড কোং এর মাধ্যমে বিদেশে পুনঃবীমা করেছে। এদিকে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনও কে এম দাস্তুর অ্যান্ড কোং এর মাধ্যমে বিদেশে পুনঃবীমা করেছে। ইউএস-বাংলার ধ্বংস হওয়া ওই বিমানটি বৈদেশিক নেতৃস্থানীয় পুনঃবীমাকারী লন্ডনভিত্তিক এক্সএল ক্যাটলিন ও অন্যান্য পুনঃবীমাকারীর সঙ্গে পুনঃবীমা করা আছে।
দূর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপন করতে দুটি লস অ্যাডজাস্টার বা সার্ভেয়ার প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে পুনঃবীমাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। ম্যাকলরেন্স এভিয়েশন লিমিটেড ও এইচএফডাব্লিউ (হলম্যান ফেনউইক উইল্যান) এর প্রতিনিধিরা তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।
এ বিষয়ে সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শফিক শামীম বলেছেন, বীমার ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ অর্থ আসবে বিদেশি কোম্পানি থেকে। আগামী ১৫ দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে বীমার দাবি পূরণ হবে।
নিহতদের মধ্যে কারো পরিচয় নিশ্চিত হতে দেরি হলে বা উত্তরাধিকার নির্ধারণ নিয়ে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা সময় লেগে যেতে পারে। যদিও তারা কত টাকা করে পাবেন, সে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
নিয়ম অনুসারে উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে ইন্স্যুরেন্স ছাড়া চলাচলের সুযোগ নেই। ইন্স্যুরেন্সের আওতায় বিমান, যাত্রী ও পাইলটদের আলাদা ‘মূল্য’ নির্ধারণ করা হয়। বিমান দুর্ঘটনার পরপরই বীমা দাবি করে সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্স কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
১২ মার্চ কাঠমান্ডু ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করতে গিয়ে ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। এতে ৬৭জন যাত্রী আর চার ক্রুসহ মোট ৭১ জন আরোহী ছিলেন। এরমধ্যে এখন পর্যন্ত ৫১ জন নিহত ও ২২ জন আহত হন। নিহতদের মধ্যে ২৬জন বাংলাদেশী যাত্রী।

























