ছয় বছর পর্যবেক্ষণের পর ২০২৪ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটবে। ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্বল্পোন্নত দেশের সব সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে। ২০২৭ সালের পর স্বল্পোন্নত দেশের সুযোগ সুবিধা বন্ধ হলে নতুন নতুন সুবিধার জন্য আরও উইন্ডো খোলা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বুধবার সচিবালয়ে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মলেন তিনি এসব কথা জানান।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠতে যে শর্ত দরকার, তা পূরণ করায় আবেদন করার যোগ্য হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। এর মধ্য দিয়ে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায়ের পথে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হল।
১৯৭৫ সাল থেকে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য আয়, মানব সম্পদ সূচক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি সূচক (ইভিআই)- এই তিন শর্ত পূরণ করতে হয়, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পূরণ হয়েছে। এজন্য ১৬ মার্চ জাতিসংঘ জানিয়েছে, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশে থেকে উন্নয়নশীল দেশে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
তিনি বলেন, আগামী ২৬ তারিখ পর্যন্ত সরকারের সব দফতর থেকে জনগণকে যেকোনো একটি সেবা ফ্রি দেয়া হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মধ্য আয়ের দেশ হয়েছি- এই ঘোষণা পেয়েছি ১৭ তারিখে। এটি বাস্তবায়ন হবে ২০২৪ সালে। এই মধ্যবর্তী ছয় বছর জাতিসংঘের কাছে আমরা এলডিসি হিসেবেই থাকব। তবে বিশ্ব ব্যাংকের কাছে আমরা ইতোমধ্যেই উন্নয়নশীল দেশ হয়েছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, ইআরডি সচিব শফিকুল আজম প্রমুখ।

























