পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক তরুণের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এক জন কে আটক করেছে থানা পুলিশ।এই বিষয়ে রবিবার বিকেল ৪টায় নওগাঁর সদর মডেল থানায় সংবাদ সন্মেলন করেন জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম মামুন খাঁন চিশতী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়াটার্স) সাবিনা ইয়াসমিন, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( তদন্ত ওসি) রাজিবুল ইসলাম প্রমুখ।
এ ব্যাপারে নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম মামুম খাঁন চিশতী বলেন, “নতুন নিয়মে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরিপ্রত্যাশী প্রত্যেক ব্যক্তিকে সাতটি ধাপ সফলভাবে পাস করতে হবে। এই সাতটি ধাপের কোনো একটিতে অযোগ্য প্রমাণিত হলে তিনি আর নিয়োগ পাবেন না। নতুন নিয়মে টাকা নিয়েও এখন আর কেউ পুলিশে চাকরি দিতে পারবেন না। কোনো প্রতারক চক্র পুলিশে চাকরি দেওয়ার নাম করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করুক, এটা আমরা হতে দেব না” আজ সদর উপজেলার ভবানীপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন (৬২) সাথে পাবনা জেলার ভাঙ্গুরা উপজেলার শাহানগর গ্রামের মৃত এজাব উদ্দিন খাঁনের ছেলে মো. সাজেদুল হক (৩৮) পরিচয়ে তিনি রাজশাহী রেঞ্জের একজন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে,মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন ছেলে মোহাম্মদ সাবাল সাদিক সৌধ (১৭) কে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৫লক্ষ টাকা চায়। এবং কৌশলে ৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। আজ (০২ নভেম্বর) সকাল অনুমান সাড়ে ৭টার সময় উপজেলার ভবানীপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেনের বাড়ি এসে পুলিশে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে সাবাল সাদিক সৌধ (১৭) এর কাছে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন। বিষয়টি সন্দেহ হইলে সু কৌশলে সাজেদুল হককে বাসায় রেখে থানায় জানাইলে পুলিশ গিয়ে আটক করে এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















