০৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

জাতীয় চার নেতা জীবন দিলেও আদর্শ বিচ্যুত হননি

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর যোগ্য সহকর্মী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হলে অনেকেই খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করেন।

জাতীয় চার নেতা জীবন দিয়েছেন, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। বুধবার জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রকৃতপক্ষে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে হত্যার জন্য ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

বঙ্গবন্ধুর খুনিরা বুঝতে পেরেছিল বঙ্গবন্ধুর রক্তের কিংবা আদর্শের উত্তরাধিকার বেঁচে থাকলে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আবার তাদেরকে ঘিরে সংগঠিত হবে। এজন্য বঙ্গবন্ধুর খুনিরাই চার নেতাকে জেলখানার মতো সুরক্ষিত জায়গাতে হত্যা করে। মন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশ সৃষ্টিতে জাতীয় চার নেতার অবিস্মরণীয় অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

আলোচনাসভায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালক মো. জহুরুল ইসলাম রোহেল, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামরুন নাহার, অতিরিক্ত সচিব রঞ্জিত কুমার দাসসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :

“পাঁচ বছরের মধ্যে গজারিয়ার সব রাস্তা ও ব্রিজের কাজ সম্পন্ন করা হবে” : মির্জা ফখরুল

জাতীয় চার নেতা জীবন দিলেও আদর্শ বিচ্যুত হননি

প্রকাশিত : ১২:০০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর যোগ্য সহকর্মী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হলে অনেকেই খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করেন।

জাতীয় চার নেতা জীবন দিয়েছেন, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। বুধবার জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রকৃতপক্ষে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে হত্যার জন্য ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

বঙ্গবন্ধুর খুনিরা বুঝতে পেরেছিল বঙ্গবন্ধুর রক্তের কিংবা আদর্শের উত্তরাধিকার বেঁচে থাকলে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আবার তাদেরকে ঘিরে সংগঠিত হবে। এজন্য বঙ্গবন্ধুর খুনিরাই চার নেতাকে জেলখানার মতো সুরক্ষিত জায়গাতে হত্যা করে। মন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশ সৃষ্টিতে জাতীয় চার নেতার অবিস্মরণীয় অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

আলোচনাসভায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালক মো. জহুরুল ইসলাম রোহেল, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামরুন নাহার, অতিরিক্ত সচিব রঞ্জিত কুমার দাসসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।