০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ঝুঁকি নিয়ে ১৮ শত শিক্ষার্থীর সড়ক পারাপার

  • সীতাকুণ্ড
  • প্রকাশিত : ০৮:০৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১
  • 72

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে অবস্হিত ঢাকা -চট্টগ্রাম মহাসড়কে সংলগ্ন সাদেক মাস্তান (রাঃ) উচ্চ বিদ্যালয়, সাদেক মাস্তান (রাঃ) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাদেক মাস্তান (রাঃ) কিন্ডারগার্টেন স্কুলের ও বাইতুল মামুর ইসলামি নূরানী মাদরাসা সহ প্রায় ১৮ শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ চরম ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার হয়ে আসা-যাওয়া করছে। প্রায় সময় দ্রুতগামী যানবাহনের ধাক্কায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আহত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এত প্রতিষ্টান সমূহের সম্মুখে মহাসড়কে জেব্রা ক্রসিং থাকলেও গাড়ির গতিরোধ মানেনা চালকরা। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় এতপ্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীরা, সাধারণ মানুষ ও সাপ্তাহে দুইদিন স্হায়ী হাটের মানুষ তাদের আসা-যাওয়া করার সময় অত্যাধিক ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার হচ্ছেন। তাছাড়া বিদ্যালয়গুলোর বিপরিতে রয়েছে মসজিদ স্কুলের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মুসল্লিদের মহাসড়ক পার হয়ে মজদিদে যেতে হয় ঝুঁকি নিয়ে। বিদ্যালয় ছুটির পর একজন দপ্তরি সড়ক পারাপার হতে ছাত্র-ছাত্রীদের সহায়তা করলেও তা পর্যাপ্ত নয়,একটু অমনোযোগী বা অসতর্ক হলেই ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এই বিষয়ে দপ্তরি সাকিব বলেন ইস্কুল ছুটির পর আমি শিক্ষার্থীদের রাস্তা পার করে দিয় কিন্তুু অনেক সময় আমার পক্ষে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে তাছাড়া শিক্ষার্থীরা আসার সময় তো আর আমি একজন একজন করে পার করতে পারি না তাই সবসময় দূরদর্ঘটনার একটা ভীতি থেকে যায়। এই বিষয়ে সাদেক মাস্তান রাঃ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জাফর আহম্মদ বলেন আমাদের প্রায় নয়শত শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ রাস্তার পশ্চিম পাশে থেকে আসা-যাওয়া করে এদের নিরাপওা নিয়ে বিষয়ে আমি নিজেও উদ্বিগ্ন। তাই এখানে একটি ফুটওভার ব্রিজ স্হাপন করা অতি প্রয়োজন । তিনি বলেন ২০১৭ সালে প্রথম দিকে আসমা নামের এক শিক্ষার্থী রাস্তা পারা- পারে নিহত হয় এবং আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এই পর্যন্ত অনেক শিক্ষার্থী দূর্ঘনায় আহত হয়, এতো সর্তকতার পরও মাঝে মাঝে দূরর্ঘটনা ঘটে, আমরা শিক্ষকরাও বাচ্চাদের রাস্তা পার করতে হয় কিন্তু এতো কিছুর পর ও দূর্ঘটনা ঠেকাতে যেন অসম্ভব। তিনি আরো বলেন
তিনি বলেন ২০১৭ সালে তৎকালিন ইউএনও মহোদয় নাজমুল ইসলাম ভূইয়াঁকে একটি আবেদন করা হয়, করোনাকালীন দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকাতে এই বিষয়ে আর কোন অগ্রগতি হয়নি তবে এখন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা আসতে শুরু করেছে আগামি বছরের জানুয়ারি তে পূর্ণদমে ক্লাস শুরু হবে সুতারাং আমারা আবার ইউএনও মহোদয়ের বরাবর এই বিষয়ে একটি মূখিক ও লিখিত আবেদন করবো।

সাদেক মাস্তান রাঃ কিন্ডারগার্টে ইস্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব জেনিফ আক্তার বলেন ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারের জন্য একটি ফুটওভার ব্রিজ অধিক প্রয়োজন,এই ভয়ে অনেক শিক্ষার্থী ইস্কুলে আসতে চাইনা,কোমলমতি শিশুদের রাস্তা পার হতে পোহাতে হয় অধিক ভোগান্তি। আমরা শিক্ষক ও অভিভাবকরা প্রতিনিহিত নিরাপত্তাহীনতাই ভূগছি। শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্রিজ এখন সময়ের দাবি।

বাইতুল মামুর ইসলামিয়া হাফেজিয়া ও নূরানি মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ হাকিম বলেন এখানে একটি ব্রিজ হলে শিক্ষার্থী ও সাধারন মানুষ নিরাপদে চলাচল করবে। আমরা চাই সার্বজনিন এই সম্যাসার অচিরেই সমাধান হোক।

সাদেক মাস্তান রাঃ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির গোলাপ শাখার ছাএী ফারহানা আক্তার মনি বলেন বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া তে অনেক সম্যাসা হয়। প্রায় সময় আমাদের দূর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। র্দীঘক্ষন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকি, দূত গতিতে চলা গাড়ি ছাএ-ছাএীদের দেখেও থামতে চাইনা,এতে করে দৌড়ে পারহতেই দূর্ঘটনার স্বীকার হতে হয়।

একই শাখার সুমাইয়া বলেন আমার বাড়ি রাস্তার পশ্চিম পাশে সাত ঘটিয়া পাড়া হলেও কিন্তুু রাস্তা পার হওয়ার ভয়ে টিফিনের বাড়ি যেতে পারি না,আমাদের প্রাণের দাবি অতি সিগরই যেন একটি ব্রিজ তৈরি হয়।

এই বিষয়ে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া শিক্ষার্থী মহাইমুন ইসলাম সবুজের বাবা মোঃ সেলিম একজন সরকারী কর্মকর্তা তিনি বলেন প্রতিদিন বাচ্চাদের ইস্কুলে পাঠিয়ে আমরা অনেক দুশ্চিন্তার ভূগি, ছোট বাচ্চা, ঢাকা- চট্টগ্রামের মতো মহাসড়ক পার হয়ে ইস্কুলে যাওয়া-আসা এতো ঝুঁকির মধ্যে। এটি আমাদের দুশ্চিন্তার কারণ।

সীতাকুণ্ড পৌরসভার ৬নং ওরার্ড কাউন্সিল জনাব দিদারুল আলম এ্যাপেলো বলেন রাস্তার উওর পাশে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষার্থী ও পশ্চিম পাশে মুরাদপুরের অসংখ্য জনসাধারণের পারা-পারের ঝুঁকিতে সড়কটি, কিছুদিন পরপর দূর্ঘটনা ঘটে। কিছুদিন আগেও একটি ট্রাক দূর্ঘটনার সিকার হয়। আমি নিজেও এই বিষয়ে সতেষ্ট রয়েছি, এটা আমাদের গণদাবি, জনপ্রতিনিধী হিসাবে উর্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সিগরই একটি ফুটওভার ব্রিজের দাবি জানাচ্ছি।

এই বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা নিবার্হী অফিসার জনাব মো ঃশাহাদাত হোসেন বলে যেহেতু উভয় পাশে অনেকগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্টান সুতারাং একটি ফুটওভার ব্রিজ প্রয়োজন, এই বিষয়ে যদি প্রতিষ্টানসমূহ লিখত আবেদন করে, অবশ্যই শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের কথা চিন্তাকরে এর একটি ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের আকদ সম্পন্ন

ঝুঁকি নিয়ে ১৮ শত শিক্ষার্থীর সড়ক পারাপার

প্রকাশিত : ০৮:০৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে অবস্হিত ঢাকা -চট্টগ্রাম মহাসড়কে সংলগ্ন সাদেক মাস্তান (রাঃ) উচ্চ বিদ্যালয়, সাদেক মাস্তান (রাঃ) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাদেক মাস্তান (রাঃ) কিন্ডারগার্টেন স্কুলের ও বাইতুল মামুর ইসলামি নূরানী মাদরাসা সহ প্রায় ১৮ শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ চরম ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার হয়ে আসা-যাওয়া করছে। প্রায় সময় দ্রুতগামী যানবাহনের ধাক্কায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আহত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এত প্রতিষ্টান সমূহের সম্মুখে মহাসড়কে জেব্রা ক্রসিং থাকলেও গাড়ির গতিরোধ মানেনা চালকরা। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় এতপ্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীরা, সাধারণ মানুষ ও সাপ্তাহে দুইদিন স্হায়ী হাটের মানুষ তাদের আসা-যাওয়া করার সময় অত্যাধিক ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার হচ্ছেন। তাছাড়া বিদ্যালয়গুলোর বিপরিতে রয়েছে মসজিদ স্কুলের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মুসল্লিদের মহাসড়ক পার হয়ে মজদিদে যেতে হয় ঝুঁকি নিয়ে। বিদ্যালয় ছুটির পর একজন দপ্তরি সড়ক পারাপার হতে ছাত্র-ছাত্রীদের সহায়তা করলেও তা পর্যাপ্ত নয়,একটু অমনোযোগী বা অসতর্ক হলেই ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এই বিষয়ে দপ্তরি সাকিব বলেন ইস্কুল ছুটির পর আমি শিক্ষার্থীদের রাস্তা পার করে দিয় কিন্তুু অনেক সময় আমার পক্ষে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে তাছাড়া শিক্ষার্থীরা আসার সময় তো আর আমি একজন একজন করে পার করতে পারি না তাই সবসময় দূরদর্ঘটনার একটা ভীতি থেকে যায়। এই বিষয়ে সাদেক মাস্তান রাঃ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জাফর আহম্মদ বলেন আমাদের প্রায় নয়শত শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ রাস্তার পশ্চিম পাশে থেকে আসা-যাওয়া করে এদের নিরাপওা নিয়ে বিষয়ে আমি নিজেও উদ্বিগ্ন। তাই এখানে একটি ফুটওভার ব্রিজ স্হাপন করা অতি প্রয়োজন । তিনি বলেন ২০১৭ সালে প্রথম দিকে আসমা নামের এক শিক্ষার্থী রাস্তা পারা- পারে নিহত হয় এবং আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এই পর্যন্ত অনেক শিক্ষার্থী দূর্ঘনায় আহত হয়, এতো সর্তকতার পরও মাঝে মাঝে দূরর্ঘটনা ঘটে, আমরা শিক্ষকরাও বাচ্চাদের রাস্তা পার করতে হয় কিন্তু এতো কিছুর পর ও দূর্ঘটনা ঠেকাতে যেন অসম্ভব। তিনি আরো বলেন
তিনি বলেন ২০১৭ সালে তৎকালিন ইউএনও মহোদয় নাজমুল ইসলাম ভূইয়াঁকে একটি আবেদন করা হয়, করোনাকালীন দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকাতে এই বিষয়ে আর কোন অগ্রগতি হয়নি তবে এখন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা আসতে শুরু করেছে আগামি বছরের জানুয়ারি তে পূর্ণদমে ক্লাস শুরু হবে সুতারাং আমারা আবার ইউএনও মহোদয়ের বরাবর এই বিষয়ে একটি মূখিক ও লিখিত আবেদন করবো।

সাদেক মাস্তান রাঃ কিন্ডারগার্টে ইস্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব জেনিফ আক্তার বলেন ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারের জন্য একটি ফুটওভার ব্রিজ অধিক প্রয়োজন,এই ভয়ে অনেক শিক্ষার্থী ইস্কুলে আসতে চাইনা,কোমলমতি শিশুদের রাস্তা পার হতে পোহাতে হয় অধিক ভোগান্তি। আমরা শিক্ষক ও অভিভাবকরা প্রতিনিহিত নিরাপত্তাহীনতাই ভূগছি। শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্রিজ এখন সময়ের দাবি।

বাইতুল মামুর ইসলামিয়া হাফেজিয়া ও নূরানি মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ হাকিম বলেন এখানে একটি ব্রিজ হলে শিক্ষার্থী ও সাধারন মানুষ নিরাপদে চলাচল করবে। আমরা চাই সার্বজনিন এই সম্যাসার অচিরেই সমাধান হোক।

সাদেক মাস্তান রাঃ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির গোলাপ শাখার ছাএী ফারহানা আক্তার মনি বলেন বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া তে অনেক সম্যাসা হয়। প্রায় সময় আমাদের দূর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। র্দীঘক্ষন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকি, দূত গতিতে চলা গাড়ি ছাএ-ছাএীদের দেখেও থামতে চাইনা,এতে করে দৌড়ে পারহতেই দূর্ঘটনার স্বীকার হতে হয়।

একই শাখার সুমাইয়া বলেন আমার বাড়ি রাস্তার পশ্চিম পাশে সাত ঘটিয়া পাড়া হলেও কিন্তুু রাস্তা পার হওয়ার ভয়ে টিফিনের বাড়ি যেতে পারি না,আমাদের প্রাণের দাবি অতি সিগরই যেন একটি ব্রিজ তৈরি হয়।

এই বিষয়ে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া শিক্ষার্থী মহাইমুন ইসলাম সবুজের বাবা মোঃ সেলিম একজন সরকারী কর্মকর্তা তিনি বলেন প্রতিদিন বাচ্চাদের ইস্কুলে পাঠিয়ে আমরা অনেক দুশ্চিন্তার ভূগি, ছোট বাচ্চা, ঢাকা- চট্টগ্রামের মতো মহাসড়ক পার হয়ে ইস্কুলে যাওয়া-আসা এতো ঝুঁকির মধ্যে। এটি আমাদের দুশ্চিন্তার কারণ।

সীতাকুণ্ড পৌরসভার ৬নং ওরার্ড কাউন্সিল জনাব দিদারুল আলম এ্যাপেলো বলেন রাস্তার উওর পাশে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষার্থী ও পশ্চিম পাশে মুরাদপুরের অসংখ্য জনসাধারণের পারা-পারের ঝুঁকিতে সড়কটি, কিছুদিন পরপর দূর্ঘটনা ঘটে। কিছুদিন আগেও একটি ট্রাক দূর্ঘটনার সিকার হয়। আমি নিজেও এই বিষয়ে সতেষ্ট রয়েছি, এটা আমাদের গণদাবি, জনপ্রতিনিধী হিসাবে উর্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সিগরই একটি ফুটওভার ব্রিজের দাবি জানাচ্ছি।

এই বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা নিবার্হী অফিসার জনাব মো ঃশাহাদাত হোসেন বলে যেহেতু উভয় পাশে অনেকগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্টান সুতারাং একটি ফুটওভার ব্রিজ প্রয়োজন, এই বিষয়ে যদি প্রতিষ্টানসমূহ লিখত আবেদন করে, অবশ্যই শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের কথা চিন্তাকরে এর একটি ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর