গ্রামীণ আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), সাতক্ষীরা। বিগত অর্থ বছর সহ চলমান অর্থ বছরে প্রায় ৬শ সাত কোটি টাকার চুক্তিমূল্যে উপকূলীয় ও ভারতীয় সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরা জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রশংসনীয় অবদান রেখে চলেছে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরটি। কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ সহ ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ ও ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তা পাকাকরণে সরকারের বৃহৎ চুক্তির অনুকূলে কাজ করছে সাতক্ষীরা এলজিইডি।
সরকার যখন গ্রামকে শহরে পরিণত করার জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে জেলা শহর থেকে শুরু করে প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করছে সাতক্ষীরা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী নারায়ন চন্দ্র সরকারের দপ্তরের সহকারী, উপসহকারী প্রকৌশলীসহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। এছাড়া ঠিকাদার, নির্মাণ শ্রমিক সহ একটি বৃহৎ অংশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এলজিইডি সাতক্ষীরার নানা কর্মমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে। সাতক্ষীরা জেলার ৭টি উপজেলায় সরকারের এ দপ্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উপজেলাওয়ারী অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কর্মকান্ড পরিচালনা করেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় দূর্যোগপ্রবণ এ জেলার ভয়াবহ ঘূর্ণীঝড় আইলা, সিডর, আম্পান, বুলবুল, ফনি, ইয়াস সহ নানা প্রতিকূল পরিবেশে যোগাযোগ ব্যবস্থা অক্ষুন্ন রাখতে এলজিইডি’র ভূমিকা সবসময়ই প্রশংসনীয়। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নই এ দপ্তরের মূল লক্ষ্য বলে নিশ্চিত করেছেন সাতক্ষীরা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী নারায়ন চন্দ্র সরকার। সাতক্ষীরার সার্বিক উন্নয়নে এলজিইডি’র ভূমিকা নিয়ে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার গ্রামকে শহরে পরিণত করার জন্য যে উদ্যোগ হাতে নিয়েছে তা অনেকটাই এ দপ্তরের উপর নির্ভরশীল। এজন্য সরকারের প্রতিবছর এলজিইডি’র অনুকূলে যেসমস্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়ে থাকেন তা স্বচ্ছতার ভিত্তিতে টেকসই নির্ভর বাস্তবায়ন করা অনেকটাই চ্যালেঞ্জ।
মাঠপর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে ডিজাইন করা থেকে শুরু করে নির্মাণকাজ সমাপ্ত করা পর্যন্ত নানা প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবেলা করতে হয়। সে কারণে অনেক মহল ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডকে ব্যাহত করতে নানা সমালোচনা করে থাকেন। তিনি আরো জানান, রাস্তা, কালভার্ট, ব্রীজ নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার আগ পর্যন্ত আয়-ব্যয় নিজেরই সম্পদ বলে প্রাধান্য দিয়ে সরকারের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমরা বদ্ধপরিকর।























