০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

১৪ ঘণ্টা সমুদ্রে আটকে থেকে ফিরল জাহাজ

কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের নাজিরারটেক চ্যানেলে ৪ ঘণ্টার বেশি সময় আটকা ছিল পর্যটকবাহী জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেস। সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজারে আসার পথে বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার পর তীরে ফিরেছে জাহাজটি। জাহাজটি আটকেপড়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন জাহাজের ইনচার্জ হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর।

তিনি বলেন, বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পাঁচ শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিন থেকে রওনা দেয় জাহাজটি। স্বাভাবিকভাবে রাত ১১টা থেকে রাত ১২টার মধ্যে জাহাজ কক্সবাজারে পৌঁছার কথা। কিন্তু ভাটার কারণে ডুবোচরে আটকা পড়ে জাহাজটি। পরে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় জাহাজটি তীরে আসে।

এ সময় কোনো পর্যটক ভোগান্তির স্বীকার হয়নি দাবি করে তিনি বলেন, আমরা যাত্রীদের জন্য ফ্রিতে খাবার ও পানি সরবরাহ করছি।

তবে দুপুর দুইটার পরে জাহাজটি সেন্ট মার্টিন থেকে ছাড়ে বলে জানা যায়।

তবে ওই জাহাজের যাত্রী মঈন উদ্দিন ও মো. রফিকুল ইসলামের দাবি, জাহাজটি রাত ১০টার দিকে আটকা পড়ে এবং অনেক চেষ্টার পর বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় ঘাটে এসে পৌঁছায়। খাবার ও পানি সরবরাহের কথা স্বীকার করলেও জাহাজ আটকে পড়ায় অনেক পর্যটকই ভয়ে কান্নাকাটি করেছিল বলে জানান তিনি। ভাটা নয়, ইঞ্জিনের ত্রুটির কারণে জাহাজ আটকা পড়েছিল বলে দাবি তাদের।

জানা গেছে, ওই জাহাজের এক কর্মকর্তা ইঞ্জিন বিকল হয়ে বন্ধ হওয়ার কথা স্বীকার করায় কর্তৃপক্ষ তাকে সরিয়ে দেয়। প্রত্যেক পর্যটকের জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে এসবের কিছুই করা হয়নি জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সেন্টমার্টিন ফেরত যাত্রীরা।

ট্যুর অপারেটর রিপন বলেন, ‘জাহাজে আমার বেশ কয়েকজন পর্যটক ছিলেন। যারা সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে শহরের বিআইডব্লিউ ঘাটে পৌঁছার কথা ছিল। কিন্তু আটকে পড়ায় রাতে জাহাজ থেকে ফোন করে যাত্রীরা কান্নাকাটি করেছে।

ট্যুর অপারেটর সদস্য কাদের আহমদ বলেন, সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজার ফেরার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। তখন জাহাজের নাবিক আমাদের বার্তা পাঠান যে তারা মাঝ সমুদ্রে আটকে গেছেন। সঙ্গে সঙ্গে আমরা এ খবরটি চারদিকে ছড়িয়ে দেই। আমাদের ট্যুর অপারেটর থেকে যাত্রীদের নিরাপত্তা ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চিকিৎসা শুধু ব্যবসা নয়, মানবসেবাও — প্রমাণ করলেন এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলী

১৪ ঘণ্টা সমুদ্রে আটকে থেকে ফিরল জাহাজ

প্রকাশিত : ০৩:৩২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১

কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের নাজিরারটেক চ্যানেলে ৪ ঘণ্টার বেশি সময় আটকা ছিল পর্যটকবাহী জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেস। সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজারে আসার পথে বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার পর তীরে ফিরেছে জাহাজটি। জাহাজটি আটকেপড়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন জাহাজের ইনচার্জ হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর।

তিনি বলেন, বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পাঁচ শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিন থেকে রওনা দেয় জাহাজটি। স্বাভাবিকভাবে রাত ১১টা থেকে রাত ১২টার মধ্যে জাহাজ কক্সবাজারে পৌঁছার কথা। কিন্তু ভাটার কারণে ডুবোচরে আটকা পড়ে জাহাজটি। পরে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় জাহাজটি তীরে আসে।

এ সময় কোনো পর্যটক ভোগান্তির স্বীকার হয়নি দাবি করে তিনি বলেন, আমরা যাত্রীদের জন্য ফ্রিতে খাবার ও পানি সরবরাহ করছি।

তবে দুপুর দুইটার পরে জাহাজটি সেন্ট মার্টিন থেকে ছাড়ে বলে জানা যায়।

তবে ওই জাহাজের যাত্রী মঈন উদ্দিন ও মো. রফিকুল ইসলামের দাবি, জাহাজটি রাত ১০টার দিকে আটকা পড়ে এবং অনেক চেষ্টার পর বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় ঘাটে এসে পৌঁছায়। খাবার ও পানি সরবরাহের কথা স্বীকার করলেও জাহাজ আটকে পড়ায় অনেক পর্যটকই ভয়ে কান্নাকাটি করেছিল বলে জানান তিনি। ভাটা নয়, ইঞ্জিনের ত্রুটির কারণে জাহাজ আটকা পড়েছিল বলে দাবি তাদের।

জানা গেছে, ওই জাহাজের এক কর্মকর্তা ইঞ্জিন বিকল হয়ে বন্ধ হওয়ার কথা স্বীকার করায় কর্তৃপক্ষ তাকে সরিয়ে দেয়। প্রত্যেক পর্যটকের জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে এসবের কিছুই করা হয়নি জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সেন্টমার্টিন ফেরত যাত্রীরা।

ট্যুর অপারেটর রিপন বলেন, ‘জাহাজে আমার বেশ কয়েকজন পর্যটক ছিলেন। যারা সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে শহরের বিআইডব্লিউ ঘাটে পৌঁছার কথা ছিল। কিন্তু আটকে পড়ায় রাতে জাহাজ থেকে ফোন করে যাত্রীরা কান্নাকাটি করেছে।

ট্যুর অপারেটর সদস্য কাদের আহমদ বলেন, সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজার ফেরার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। তখন জাহাজের নাবিক আমাদের বার্তা পাঠান যে তারা মাঝ সমুদ্রে আটকে গেছেন। সঙ্গে সঙ্গে আমরা এ খবরটি চারদিকে ছড়িয়ে দেই। আমাদের ট্যুর অপারেটর থেকে যাত্রীদের নিরাপত্তা ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর