০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

কুয়াকাটায় বিক্রি ১০ মন ওজনের শাপলাপাতা মাছ

  • বরিশাল অফিস
  • প্রকাশিত : ০৪:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১
  • 114

কুয়াকাটার মহিপুরে জেলেদের জালে ধরা পড়লো ১০ মন ওজনের শাপলাপাতা মাছ। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১ টায় দিকে উপজেলার মৎস্য বন্দর আলীপুরের বিএফডিসি মার্কেটে মাছটি বিক্রি করতে নিয়ে আসেন জেলেরা। পরে এক মৎস্য ব্যবসায়ী ১০ মন ওজনেরা শাপলাপাতা মাছটিকে ৬৫ হাজার ও আরো ছোট ৪টি মাছ ১৩ হাজার টাকায় কিনে নেন। পরে মাছটি বিক্রির জন্য দূরের অন্য বাজারে পাঠানো হয়।

স্থানীয় জেলেরা জানান, আজ দুপুর ১ টার দিকে বাঁশখালি থেকে নাম বিহীন একটি ট্রলারের জেলেরা মাছটিকে এই বন্দরে নিয়ে আসেন।

আলীপুর মৎস্য বন্দরের আড়ৎদার রফিকুল ইসলাম জানান, এটা বেশ সুস্বাদু তবে মাছটিকে সরকারী ভাবে ধরা অবৈধ করায় কোনো জেলে এই মাছ ধরার জন্য কোন জাল বা বরশি তৈরি করে না। শাপলাপাতা মাছটি একসময়ে এই এলাকার কিছু মানুষ খাইতো। মাঝে মাঝে অন্য মাছ ধরার জালে আটকে গেলে জেলেরা বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, শাপলাপাতা মাছ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে নিষিদ্ধ। এটাকে বন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে তবে জেলেরা এখন শাপলাপাতা মাছ ধরার জন্য জাল বা বরশি তৈরি করছে না তারা সচেতন হচ্ছে। যদি অন্য মাছ ধরার জালে আটকে যায় তখন জেলেরা সেটাকে বিক্রি করতে চেষ্টা করে। যদি কোনো জেলে উদ্দেশ্য মূলক ভাবে শালপাতা মাছ ধরে তার ব্যপারে আইননুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন। তবে আমাদের সচেতনতামূলক প্রচার চলমান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুয়াকাটায় বিক্রি ১০ মন ওজনের শাপলাপাতা মাছ

প্রকাশিত : ০৪:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১

কুয়াকাটার মহিপুরে জেলেদের জালে ধরা পড়লো ১০ মন ওজনের শাপলাপাতা মাছ। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১ টায় দিকে উপজেলার মৎস্য বন্দর আলীপুরের বিএফডিসি মার্কেটে মাছটি বিক্রি করতে নিয়ে আসেন জেলেরা। পরে এক মৎস্য ব্যবসায়ী ১০ মন ওজনেরা শাপলাপাতা মাছটিকে ৬৫ হাজার ও আরো ছোট ৪টি মাছ ১৩ হাজার টাকায় কিনে নেন। পরে মাছটি বিক্রির জন্য দূরের অন্য বাজারে পাঠানো হয়।

স্থানীয় জেলেরা জানান, আজ দুপুর ১ টার দিকে বাঁশখালি থেকে নাম বিহীন একটি ট্রলারের জেলেরা মাছটিকে এই বন্দরে নিয়ে আসেন।

আলীপুর মৎস্য বন্দরের আড়ৎদার রফিকুল ইসলাম জানান, এটা বেশ সুস্বাদু তবে মাছটিকে সরকারী ভাবে ধরা অবৈধ করায় কোনো জেলে এই মাছ ধরার জন্য কোন জাল বা বরশি তৈরি করে না। শাপলাপাতা মাছটি একসময়ে এই এলাকার কিছু মানুষ খাইতো। মাঝে মাঝে অন্য মাছ ধরার জালে আটকে গেলে জেলেরা বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, শাপলাপাতা মাছ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে নিষিদ্ধ। এটাকে বন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে তবে জেলেরা এখন শাপলাপাতা মাছ ধরার জন্য জাল বা বরশি তৈরি করছে না তারা সচেতন হচ্ছে। যদি অন্য মাছ ধরার জালে আটকে যায় তখন জেলেরা সেটাকে বিক্রি করতে চেষ্টা করে। যদি কোনো জেলে উদ্দেশ্য মূলক ভাবে শালপাতা মাছ ধরে তার ব্যপারে আইননুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন। তবে আমাদের সচেতনতামূলক প্রচার চলমান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর