টাঙ্গাইলে স্বামী হত্যার দায় স্বীকার করে স্ত্রী, পরকীয় প্রেমিকসহ তিন জন আদালতে জবানবন্ধী দিয়েছেন। শনিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল আলমের আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্ধী দেন। বিষয়টি টাঙ্গাইলের কোট ইন্সপেক্টর তানভীর হাসান নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) তাদের গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর)। এর আগে২৫ ডিসেম্বর ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধুসেতু মহাসড়কের পাশে কালিহাতী উপজেলার সল্লা চরপাড়া এলাকার একটি কলা বাগানে ইমাম হোসেন নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন, নিহত ইমাম হোসেনে স্ত্রী খাদিজা আক্তার (২১)। তিনি উপজেলার দেউপুর এলাকার জহিরুদ্দিনের মেয়ে। পরকীয়া প্রেমিক ভূঞাপুর উপজেলার সিরাজকান্দি এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে সবুর খান বাবু (২০) ও তাদের ভাড়াটিয়া পাবনার ভেড়া উপজেলার মহনগঞ্জ এলাকার জালাল মিয়ার ছেলে খুনি জনি শেখ (২৫)।
ডিবি উত্তরের এসআই জাহাঙ্গীর আলম জানান, বঙ্গবন্ধুসেতু পূর্ব থানায় নিহতের বাবা বাদি হয়ে মামলা করার পর তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারি পরকীয়া প্রেমের কারনে খাদিজার পরামর্শেই ইমান হোসেনকে হত্যা করে রাস্তার পাশের কলা বাগানে ফেলে রাখা হয়। পরে শুক্রবার রাতে আসামীদের করা হয়। শনিবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। সন্ধ্যায় তারা হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে জবানবন্ধী দেন।
প্রসঙ্গত, ২৫ ডিসেম্বর ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধুসেতু মহাসড়কের পাশে উপজেলার সল্লা চরপাড়া এলাকার একটি কলা বাগানে ইমাম হোসেনে মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। মরদেহের শরীরে আঘাতার চিহ্ন ছিলো। পরে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে নিহতের বাবা ইসমাইল হোসেন বাদি হয়ে ২৬ ডিসেম্বর অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা দায়ের করে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















