১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দাখিল: আটক ৪

সিরাজগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল পদে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দাখিল করে চাকরি নেয়ার অভিযোগে আটক হওয়া চার যুবককে প্রতারণার মামলায় জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে আদালতে নেয়া হলে বিচারক তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে বুধবার (২৮ মার্চ) রাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে এদের আটক করা হয়। সকালে আটকদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়।

এরা হলেন, সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের ধলডোব গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে আব্দুল খালেক (১৯), একই ইউনিয়নের খোড়ারগাঁতী এলাকার মোতালেব হোসেনের ছেলে ওবায়দুল হক (২৪) ও হযরত আলীর ছেলে আব্দু্ল্লাহ আল মামুন (২৩) ও কামারখন্দ উপজেলার চালা গ্রামের সনোয়ার হোসেনের ছেলে মুনসুর আলী (১৯)।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ জানান, আটকরা জাল মুক্তিযোদ্ধা সনদ দাখিল করে চাকরির আবেদন করেন। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রাথমিকভাবে তাদের চাকরী হয়। এরপর চুড়ান্ত পুলিশী তদন্তে ওই ৪ জনের জাল সনদের বিষয়টি ধরা পড়ে। বুধবার রাতে তাদের আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে প্রতারনার মামলা করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ (পিপিএম) বলেন, ৬ মার্চ পুলিশ লাইনে বিভিন্ন কোটা ও নারী-পুরুষ মিলে ২০৭ জনকে পুলিশ কনষ্টেবল পদে প্রাথমিক ভাবে নিয়োগ দেয়া হয়। পুলিশী তদন্তে জাল সনদের কারনে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

এছাড়াও বিবাহিত হওয়ায় আরও কয়েকজনকে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু আজ

ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দাখিল: আটক ৪

প্রকাশিত : ০৮:৪০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮

সিরাজগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল পদে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দাখিল করে চাকরি নেয়ার অভিযোগে আটক হওয়া চার যুবককে প্রতারণার মামলায় জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে আদালতে নেয়া হলে বিচারক তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে বুধবার (২৮ মার্চ) রাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে এদের আটক করা হয়। সকালে আটকদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়।

এরা হলেন, সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের ধলডোব গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে আব্দুল খালেক (১৯), একই ইউনিয়নের খোড়ারগাঁতী এলাকার মোতালেব হোসেনের ছেলে ওবায়দুল হক (২৪) ও হযরত আলীর ছেলে আব্দু্ল্লাহ আল মামুন (২৩) ও কামারখন্দ উপজেলার চালা গ্রামের সনোয়ার হোসেনের ছেলে মুনসুর আলী (১৯)।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ জানান, আটকরা জাল মুক্তিযোদ্ধা সনদ দাখিল করে চাকরির আবেদন করেন। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রাথমিকভাবে তাদের চাকরী হয়। এরপর চুড়ান্ত পুলিশী তদন্তে ওই ৪ জনের জাল সনদের বিষয়টি ধরা পড়ে। বুধবার রাতে তাদের আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে প্রতারনার মামলা করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ (পিপিএম) বলেন, ৬ মার্চ পুলিশ লাইনে বিভিন্ন কোটা ও নারী-পুরুষ মিলে ২০৭ জনকে পুলিশ কনষ্টেবল পদে প্রাথমিক ভাবে নিয়োগ দেয়া হয়। পুলিশী তদন্তে জাল সনদের কারনে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

এছাড়াও বিবাহিত হওয়ায় আরও কয়েকজনকে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।