সামাজিক ন্যায়-নীতি, আচার-বিচার, নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়েই মানুষকে এগিয়ে যেতে হয় বহুদূর। যিনি এগিয়ে যান, তিনিই সফল হন। সমাজে এমনই একজন যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে সফলতা অর্জন করেছেন হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুদ্দত আলী। একজন সৎ, নির্বিক, যোগ্য ও আদর্শবান ব্যক্তি হিসেবে যিনি এখন সু-পরিচিত। শুধু নিজের ইউনিয়ন নয়, উপজেলা ও জেলা জুড়ে তিনি এখন আলোচনায়। এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সকল শ্রেনীর মানুষেরই চেনা-জানা তিনি। ২০০৩ সালে পুটিজুরী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে (নৌকা বিহীন) বিপুল ভোট পেয়ে ১ম বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। পরে ২০১৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যান। বর্তমানে নিজের যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে সাবেক সফল চেয়ারম্যান ও একজন সফল ব্যক্তি হিসেবেও এখন প্রতিষ্ঠিত তিনি। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ তাঁতীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ৭১ হবিগঞ্জ জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা সাংবাদিক ফোরামের আজীবন সদস্য, পুটিজুরী এস সি উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি, কল্যাণপুর হযরত শাহজালাল (রহঃ) হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি এবং ফয়রাটিলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এছাড়াও তিনি সিলেট সরকারী বাণিজ্যিক মহা বিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তৎকালীন সময়ে তিনি সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে সার্বিক কমিউনিকেশন সোসাইটির জরিপে বিষয় ভিত্তিক বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রিন্সেস ডায়না পদক ও ২০১৭ সালে ব্যবসা বানিজ্যে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট্স ডিফেন্ডার্স এর পক্ষথেকে মাদার তেরেসা এ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।
ইউনিয়নবাসীর সাথে আলাপ করে জানা যায়, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন আলহাজ্ব মুদ্দত আলী। তিনি, তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, আর প্রতিভার সমন্বয়ে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন প্রতিনিয়ত। বাহুবল-নবীগঞ্জ আসনের এমপি গাজী মোহাম্মদ শাহ নওয়াজ মিলাদ’র সহযোগিতা নিয়ে তিনি ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। সর্বোপরি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য প্রতিটি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের জয়লাভের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে আসছেন তিনি। ইউনিয়নে সফলতার সাথে উন্নয়ন করে তারুণ্যের প্রতীক এ ব্যক্তি তাঁর বয়স ও অভিজ্ঞতা দুটিকেই হার মানিয়েছেন। তাঁর কর্মকান্ড দেখে মনে হয় অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেক। প্রথমবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে তিনি উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদান, ক্রীড়াঙ্গন ও সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে এলাকায় নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। ইউনিয়নের মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠণের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক তিনি।
ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত ন¤্র, ভদ্র, সদাহাস্যোজ্জ্বল ও সাদা মনের মানুষ। তাঁর মাঝে কোন অহংকার নেই। নিরহংকারী এই মানুষটি দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়। এবার তিনি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী (নৌকা) নিয়ে পুটিজুরী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন। সাধারণ মানুষের মুখে এবারের নির্বাচনে তাঁর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
এলাকা পরিদর্শনকালে পুটিজুরী ইউনিয়নবাসী বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়নের বর্তমান জনপ্রিয় ব্যক্তি সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুদ্দত আলী পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী ছোট বেলা থেকেই একজন সহজ-সরল ও সৎ মনের অধিকারী দানশীল ও মেধাবী মানুষ। যার ফলে এলাকাবাসী তাকে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিলেন। তিনি এলাকার দরিদ্র জনগোষ্টির উন্নয়নে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তিনি এ পর্যন্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়নসহ স্কুল, মাদ্রাসা, কবরস্থান, মসজিদ, ঈদগাঁমাঠ সংস্কার করে গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা সঠিকভাবে বিতরণ করেছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করে গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে যাচ্ছেন। এবারও তিনি নির্বাচিত হলে সততা ও কর্মদক্ষতার সাথে ইউনিয়নে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে ইউনিয়নকে আধুনিক মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন এমনটাই প্রত্যাশা ইউনিয়নবাসীসহ সকলের।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















