১১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

পল্লবীতে দগ্ধ হাসানও না ফেরার দেশে

রাজধানীর পল্লবীতে পানির ট্যাংক পরিষ্কারের সময় বিস্ফোরণে দগ্ধ মাহবুবুল হাসান (৪০) মারা গেছেন। শনিবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাসানের শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিলো। এ নিয়ে এ ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হলো।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের এসআই বাচ্চু মিয়া বিষয়টি জানিয়েছেন।

এর আগে একই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসিন আরা খানম (৬০) মারা যান। এরও আগে গত মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে এ দুঘর্টনায় আহত রুবিও (৩) বার্ন ইউনিটের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

গত মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর মিরপুর পল্লবীর মুসলিমভাগ এলাকার ১৯ নম্বর রোডে ৩৩ নম্বর বাসায় পানির ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন দগ্ধ হয়েছিল। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

দগ্ধরা হলেন- ইয়াকুব আলী (৭০), তার স্ত্রী হাসিন আরা খানম (৬০), মেয়ে ইয়াসমিন বেগম (৩৫), তার মেয়ে রুবি (৩) ও বাসার কেয়ারটেকার মাহবুবুল হাসান (৪০)। তাদের মধ্যে রুবি ও মাহবুবের অবস্থা আশঙ্কজনক ছিল। বাকিরা এখনো ঢামেকে চিকিৎসাধীন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

পল্লবীতে দগ্ধ হাসানও না ফেরার দেশে

প্রকাশিত : ১২:০৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মার্চ ২০১৮

রাজধানীর পল্লবীতে পানির ট্যাংক পরিষ্কারের সময় বিস্ফোরণে দগ্ধ মাহবুবুল হাসান (৪০) মারা গেছেন। শনিবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাসানের শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিলো। এ নিয়ে এ ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হলো।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের এসআই বাচ্চু মিয়া বিষয়টি জানিয়েছেন।

এর আগে একই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসিন আরা খানম (৬০) মারা যান। এরও আগে গত মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে এ দুঘর্টনায় আহত রুবিও (৩) বার্ন ইউনিটের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

গত মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর মিরপুর পল্লবীর মুসলিমভাগ এলাকার ১৯ নম্বর রোডে ৩৩ নম্বর বাসায় পানির ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন দগ্ধ হয়েছিল। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

দগ্ধরা হলেন- ইয়াকুব আলী (৭০), তার স্ত্রী হাসিন আরা খানম (৬০), মেয়ে ইয়াসমিন বেগম (৩৫), তার মেয়ে রুবি (৩) ও বাসার কেয়ারটেকার মাহবুবুল হাসান (৪০)। তাদের মধ্যে রুবি ও মাহবুবের অবস্থা আশঙ্কজনক ছিল। বাকিরা এখনো ঢামেকে চিকিৎসাধীন।