ফেনীতে ডান্ডি নেশায় আসক্ত পথশিশুদের কাছে স্নিফিং গ্লু বিক্রি না করতে ৩ হার্ডওয়ার দোকানীকে থানায় ডেকে নিয়ে সতর্ক করল পুলিশ। জানা গেছে, ফেনী শহরের প্রায় ৭০ থেকে ১০০ জন পথশিশু ডেন্ডি (গাম) নেশায় আক্রান্ত। নেশায় আসক্ত পথশিশুরা কতিপয় অসাধু হার্ডওয়ার দোকান হতে এই গাম সংগ্রহ করে। কোটার গামগুলো পলিথিনে সংরক্ষণ করে পথশিশুরা নেশায় বুঁদ হয়। পথ শিশুদের প্রতিদিন গড়ে ২/৩ কোটা গাম লাগে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় ভিক্ষা চুরি-ছিনতাই ও ভাঙ্গারি মালামাল বিক্রি করে নেশার টাকা সংগ্রহ করে।
বিভিন্ন প্রকার রাবার ও চামড়া জাতীয় পদার্থ যেমন- জুতা, চাকার রাবার, টিউব প্রভৃতির মেরামতকল্পে সংযোজক হিসেবে এর বহুল ব্যবহার বিদ্যমান। প্রতিটি গামের ছোট কোটা ৫০ টাকা এবং বড় কোটা ১৩০ টাকা।
উক্ত বিষয়টি পুলিশ সুপার, ফেনী এর দৃষ্টিগোচর হলে জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান টিম ফেনী শহরে বিভিন্ন এলাকা অভিযান পরিচালনা করে হাজী হার্ডওয়ার এর মালিক সাইফুল ইসলাম, মোল্লা হার্ড ওয়ার এর মালিক গিয়াস উদ্দিন, ডি,কে হার্ডওয়ার এর মালিক অমিত কর্মকারদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে আনা হয়। পরবর্তীতে তাদেরকে উক্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা পথ শিশুদের নিকট গামের কোটা বিক্রি করবেন না বলে আশ্বাস দেন। পথশিশু কিংবা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিকট যাচাই-বাছাই না করে গাম বিক্রি করার কারণে পথশিশুরা নেশায় আসক্ত হচ্ছে বিষয়টি বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হন এবং এই সকল পথশিশুরা যাতে নেশায় আসক্ত হতে না পারেন সেই জন্য সামাজিক সচেতনতামূলক কাজেও অংশগ্রহণ করবেন বলে জানান।
পরবর্তীতে জেলার হার্ডওয়ার সমিতির সভাপতি ও সেক্রেটারি উপস্থিতিতে বর্ণিত দোকানের মালিক কিংবা কর্মচারী পথ শিশুদের নিকট কোন প্রকার গাম বিক্রি করবে না মর্মে অঙ্গীকার করেন এবং উক্ত বিষয়টি সকল হার্ডওয়ার দোকান মালিকদের অবহিত করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















