বগুড়ার শিবগঞ্জে শিশুর ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখে মারা যাওয়া সেই পুলিশ সদস্যের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি চাচির দায়ের কোপে নিহত তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র সাকিবুল হাসান সাকিব খুনের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
নিহত সাকিবুল হাসানের বাবা হেলাল উদ্দিন শুক্রবার রাতে বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন। মামলায় গ্রেফতার শিউলি বেগমকে একমাত্র আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, ওই শিশুর লাশ দেখে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ কনস্টেবল একরামুল হকের মরদেহ রাতেই চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বালাগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যাবার আগে রাত ৯টায় বগুড়া পুলিশ লাইন্স মাঠে তার নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান, আটক শিউলি বেগমকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কনস্টেবল একরামুল হককে তার গ্রামের বাড়ির পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুত্রবার দুপুরে উপজেলার বোয়ালমারি গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র শাকিবুল হাসান শাকিবকে দা দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে তার চাচি শিউলি বেগম। শাকিবের সেই বিভৎস লাশ দেখে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন কনস্টেবল একরামুল। পরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেয়া হলে তিনি মারা যান।




















