খুলনার ফুলতলা উপজেলার জামিরার পটিয়াবান্দা গ্রামে গরুচোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ মো. গোলাম আলী পেয়াদাকে পিটিয়ে হত্যা মামলার তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) দেয়া হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত এক আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
রুদাঘরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা কামাল খোকন বলেন, গোলাম আলী পেয়াদা ২০১৭ সাল থেকে মানসিক রোগে আক্রান্ত হন। তাকে চিকিৎসা দেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এম এম জালাল উদ্দিন ও ডা. এসএম ফরিদুজ্জামান।
ফুলতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান মুন্সী বলেন, এই ঘটনায় ফুলতলা থানায় সাতজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর আসামি আনোয়ারকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তবে মঙ্গলবার মামলাটির তদন্তভার পিবিআইয়ের উপর ন্যাস্ত করা হয়েছে।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ডুমুরিয়া উপজেলার রুদাঘরা ইউনিয়নের মধুগ্রামের বাসিন্দা মো. গোলাম আলী পেয়াদা গত ২৫ মার্চ সকালে ফুলতলার পটিয়াবান্দা গ্রামে গিয়ে একটি বাছুর নিয়ে যেত উদ্যত হন। সেসময় এলাকাবাসী তাকে গরু কী করবেন বলে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আজ শাহাপুর হাটে বিক্রি করব।’
তবে ওই দিন শাহাপুরে কোনো গরুর হাট ছিলো না। এ সময় এলাকার নারীরা বাছুরটিকে চিনতে পেরে তারা গোলাম আলীকে ধরে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে থানা থেকে দুই সাব ইন্সপেক্টরকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। সে সময়ও গোলাম আলী অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।




















