১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

মেলার শেষ দিনেও থাকবে শিশুপ্রহর-সিসিমপুর

আগামী ১৭ মার্চ শেষ হবে অমর একুশে বইমেলা। সেই সঙ্গে ওই দিনটিতেই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও জাতীয় শিশুদিবস। এই উপলক্ষে এবারের বইমেলায়ও শিশুপ্রহর ও শিশুদের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান সিসিমপুর থাকবে মেলার শেষ দিনটিতে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিশুচত্বরে অনুষ্ঠিত সিসিমপুরের আয়োজকরা এমন ঘোষণাই দেন। মেলায় শিশুচত্বরে উন্মুক্তমঞ্চে শিশুপ্রহরে থাকে সিসিমপুর আয়োজন। প্রতি শিশুপ্রহরে তিনটি করে প্রোগ্রাম করেন আয়োজকরা। শিশুপ্রহরের দিনে বেলা সাড়ে ১১টা, বিকেল সাড়ে ৩টা ও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় থাকে শিশুদের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান সিসিমপুর।

শিশুচত্বরের উন্মুক্তমঞ্চে প্রায় শতাধিক শিশু তাদের প্রিয় অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখতে পায় প্রিয় চার চরিত্রকে। এসময় মঞ্চের চারপাশে দাঁড়িয়ে বাচ্চাদের আনন্দ উপভোগ করেন অভিভাবকরা। রাজধানীর বনশ্রী থেকে মেয়েকে নিয়ে আসা নয়ন আজাদ নামের এক অভিভাবক জানান, জাতীয় শিশুদিবসকে কেন্দ্র করে মেলার শেষ দিনে শিশুদের জন্য শিশুপ্রহর ও সিসিমপুর রাখার সিদ্ধান্তটা বেশ ভালো একটি ঘোষণা। কারণ মেলা শেষ হয়ে গেলে আবার সেটি একবছর পর শিশুরা দেখতে পারবে।

আগামীকাল শিশুপ্রহর শেষ হয়ে গেলে হয়তো মেলার শেষ দিনে সেটা তারা দেখতে পেতো না। সিসিমপুরের সমন্বয়ক সাব্বির আহমেদ বলেন, প্রতি শিশুপ্রহরে তিনটি করে প্রোগ্রাম করেছি আমরা। আগামীকালও এই আয়োজন থাকবে শিশুদের জন্য। শিশুদিবস উপলক্ষে আমরা শিশুদের জন্য মেলার শেষ দিনেও আবার এই আয়োজনটি রাখবো। করোনার কারণে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় এবারের বইমেলা। ২৮ ফেব্রুয়ারি মেলা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও মেলার সময়সীমা বাড়ানো হয় ১৭ মার্চ পর্যন্ত।

ট্যাগ :

গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক চালু হচ্ছে জিপিএস

মেলার শেষ দিনেও থাকবে শিশুপ্রহর-সিসিমপুর

প্রকাশিত : ১২:০০:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ মার্চ ২০২২

আগামী ১৭ মার্চ শেষ হবে অমর একুশে বইমেলা। সেই সঙ্গে ওই দিনটিতেই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও জাতীয় শিশুদিবস। এই উপলক্ষে এবারের বইমেলায়ও শিশুপ্রহর ও শিশুদের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান সিসিমপুর থাকবে মেলার শেষ দিনটিতে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিশুচত্বরে অনুষ্ঠিত সিসিমপুরের আয়োজকরা এমন ঘোষণাই দেন। মেলায় শিশুচত্বরে উন্মুক্তমঞ্চে শিশুপ্রহরে থাকে সিসিমপুর আয়োজন। প্রতি শিশুপ্রহরে তিনটি করে প্রোগ্রাম করেন আয়োজকরা। শিশুপ্রহরের দিনে বেলা সাড়ে ১১টা, বিকেল সাড়ে ৩টা ও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় থাকে শিশুদের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান সিসিমপুর।

শিশুচত্বরের উন্মুক্তমঞ্চে প্রায় শতাধিক শিশু তাদের প্রিয় অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখতে পায় প্রিয় চার চরিত্রকে। এসময় মঞ্চের চারপাশে দাঁড়িয়ে বাচ্চাদের আনন্দ উপভোগ করেন অভিভাবকরা। রাজধানীর বনশ্রী থেকে মেয়েকে নিয়ে আসা নয়ন আজাদ নামের এক অভিভাবক জানান, জাতীয় শিশুদিবসকে কেন্দ্র করে মেলার শেষ দিনে শিশুদের জন্য শিশুপ্রহর ও সিসিমপুর রাখার সিদ্ধান্তটা বেশ ভালো একটি ঘোষণা। কারণ মেলা শেষ হয়ে গেলে আবার সেটি একবছর পর শিশুরা দেখতে পারবে।

আগামীকাল শিশুপ্রহর শেষ হয়ে গেলে হয়তো মেলার শেষ দিনে সেটা তারা দেখতে পেতো না। সিসিমপুরের সমন্বয়ক সাব্বির আহমেদ বলেন, প্রতি শিশুপ্রহরে তিনটি করে প্রোগ্রাম করেছি আমরা। আগামীকালও এই আয়োজন থাকবে শিশুদের জন্য। শিশুদিবস উপলক্ষে আমরা শিশুদের জন্য মেলার শেষ দিনেও আবার এই আয়োজনটি রাখবো। করোনার কারণে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় এবারের বইমেলা। ২৮ ফেব্রুয়ারি মেলা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও মেলার সময়সীমা বাড়ানো হয় ১৭ মার্চ পর্যন্ত।