০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

বাউন্ডারি দিয়ে ডিজিটাল একটিভিটিস কে বাধাগ্রস্থ করা যায় না আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

শনিবার(৩০ এপ্রিল) ভারতের ডিজিটাল বাংলদেশ টু স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক সম্মেলন শেষে ত্রিপুরা থেকে আগরতলা আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছে এসব কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন আমরা আজকে পঞ্চাশ বছর পর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নেতৃত্বে সারা বিশ্বের বুকে একটি মধ্যম আয়ের প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছি।আর এবারই প্রথম আগরতলাতে একটা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিজনেস আইটি সামিট করলাম।

নতুন নতুন সম্ভাবনার সুযোগগুলো গ্রহণ করছি।আমি মনে করি ত্রিপুরার আগরতলায় যে বৈঠক গুলো হয়েছে খুব আন্তরিকতাপূর্ণ বৈঠক হয়েছে।

গত ১৩ বছরে যেভাবে আমরা প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রমে দুর্নীতি কমিয়ে আনতে পেরেছি।মানুষের সময় এবং হয়রানি ও কমিয়ে আনতে পেরেছি।

আখাউড়া বন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানি বেশি হয় আমরা আয় ও করি আমাদের সাইটে ইমিগ্রেশন এবং অন্যান্য সেবা দান করার জন্য কতটুকু প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায় আমরা আইসিটি বিভাগ থেকে সে সহযোগিতা দান করবো। এবং দ্রুততার সাথে যেন নাগরিকদের হয়রানি দূর হয় দ্রুততার সাথে সেবা দেওয়া যায় তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ইতিমধ্যে মাননীয় আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এর পরামর্শের সারা বাংলাদেশে ৪৩ টি হাইটেক পার্ক করছি।৬৪ টা শেখ শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং পরিষদ সেন্টার করছি।ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং পরিষদ সেন্টার হবে।

আমরা আগরতলাতে এটাও বলেছি আগরতলাতে একটা হাইটেক পার্ক আছে ছোট আকারের অল্প কিছুদিন পূর্বে হয়েছে। আমাদের যেহেতু ১৩৪ টা স্থাপনা হচ্ছে সবচেয়ে তাদের কাছাকাছি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিলেট চট্টগ্রাম কুমিল্লা জেলার বিভাগীয় শহর এবং জেলা শহরে ত্রিপুরার আইটি কোম্পানি এবং তাদের কোন স্টার্টার যদি বিনিয়োগ করতে চায়। আমরা বিশেষভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। পাশাপাশি বাংলাদেশ আইটি ব্যবসায়ী যারা আছে তারাও সেখানে যেতে পারবে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার সেটা হচ্ছে ল্যান্ড বাউন্ডারি দিয়ে ডিজিটাল একটিভিটিস কে বাধাগ্রস্থ করা যায় না। সেই সুযোগটা আমরা কাজে লাগাতে চাই।

ডিজিটাল বাংলাদেশ আইটি বিজনেস সামিটে প্রায় এক শতের বেশি ব্যবসায়ীরা ছিল বাংলাদেশ এবং ভারতের। আমরা তাদের সাথে কথা বলেছি আমরা তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি এবং এই সফরের মধ্য দিয়ে আমাদের ত্রিপুরাতে ইলেকট্রনিক্স ডিজিটাল ডিভাইস সফটওয়্যার রপ্তানি ই-কমার্স নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

তুষারঝড়-তীব্র ঠান্ডায় বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, ৩০ জনের মৃত্যু

বাউন্ডারি দিয়ে ডিজিটাল একটিভিটিস কে বাধাগ্রস্থ করা যায় না আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৬:২২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২২

শনিবার(৩০ এপ্রিল) ভারতের ডিজিটাল বাংলদেশ টু স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক সম্মেলন শেষে ত্রিপুরা থেকে আগরতলা আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছে এসব কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন আমরা আজকে পঞ্চাশ বছর পর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নেতৃত্বে সারা বিশ্বের বুকে একটি মধ্যম আয়ের প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছি।আর এবারই প্রথম আগরতলাতে একটা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিজনেস আইটি সামিট করলাম।

নতুন নতুন সম্ভাবনার সুযোগগুলো গ্রহণ করছি।আমি মনে করি ত্রিপুরার আগরতলায় যে বৈঠক গুলো হয়েছে খুব আন্তরিকতাপূর্ণ বৈঠক হয়েছে।

গত ১৩ বছরে যেভাবে আমরা প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রমে দুর্নীতি কমিয়ে আনতে পেরেছি।মানুষের সময় এবং হয়রানি ও কমিয়ে আনতে পেরেছি।

আখাউড়া বন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানি বেশি হয় আমরা আয় ও করি আমাদের সাইটে ইমিগ্রেশন এবং অন্যান্য সেবা দান করার জন্য কতটুকু প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায় আমরা আইসিটি বিভাগ থেকে সে সহযোগিতা দান করবো। এবং দ্রুততার সাথে যেন নাগরিকদের হয়রানি দূর হয় দ্রুততার সাথে সেবা দেওয়া যায় তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ইতিমধ্যে মাননীয় আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এর পরামর্শের সারা বাংলাদেশে ৪৩ টি হাইটেক পার্ক করছি।৬৪ টা শেখ শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং পরিষদ সেন্টার করছি।ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং পরিষদ সেন্টার হবে।

আমরা আগরতলাতে এটাও বলেছি আগরতলাতে একটা হাইটেক পার্ক আছে ছোট আকারের অল্প কিছুদিন পূর্বে হয়েছে। আমাদের যেহেতু ১৩৪ টা স্থাপনা হচ্ছে সবচেয়ে তাদের কাছাকাছি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিলেট চট্টগ্রাম কুমিল্লা জেলার বিভাগীয় শহর এবং জেলা শহরে ত্রিপুরার আইটি কোম্পানি এবং তাদের কোন স্টার্টার যদি বিনিয়োগ করতে চায়। আমরা বিশেষভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। পাশাপাশি বাংলাদেশ আইটি ব্যবসায়ী যারা আছে তারাও সেখানে যেতে পারবে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার সেটা হচ্ছে ল্যান্ড বাউন্ডারি দিয়ে ডিজিটাল একটিভিটিস কে বাধাগ্রস্থ করা যায় না। সেই সুযোগটা আমরা কাজে লাগাতে চাই।

ডিজিটাল বাংলাদেশ আইটি বিজনেস সামিটে প্রায় এক শতের বেশি ব্যবসায়ীরা ছিল বাংলাদেশ এবং ভারতের। আমরা তাদের সাথে কথা বলেছি আমরা তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি এবং এই সফরের মধ্য দিয়ে আমাদের ত্রিপুরাতে ইলেকট্রনিক্স ডিজিটাল ডিভাইস সফটওয়্যার রপ্তানি ই-কমার্স নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ