কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ এবং উপাচার্যের বাসায় হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় চারটি মামলা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার জানান, উপাচার্যের বাসায় হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।
উপ কমিশনার বলেন, এছাড়া পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পক্ষ থেকে করা একটি মামলাসহ মোট চারটি মামলা হয়েছে। এসব মামলার এজাহারে আসামির কোনো সংখ্যা বা কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা এসএম কামরুল আহসানের করা মামলায় উপাচার্যের বাসায় অনধিকার প্রবেশ, ক্ষতিসাধন এবং মালামাল লুটের অভিযোগ আনা হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ বলা হয়েছে দেড় থেকে দুই কোটি টাকা।
আগুন দেওয়া হয় দুটি গাড়িতেও আগুন দেওয়া হয় দুটি গাড়িতেও এসবির পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে যে মামলা করেছেন, সেখানে ৯ এপ্রিল ভোর রাতে দোয়েল চত্বরের কাছে তার মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া এবং ওয়্যারলেস সেট ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বাকি দুটি মামলা করেছেন শাহবাগ থানার উপ পরিদর্শক ভজন বিশ্বাস এবং উপ পরিদর্শক রবিউল ইসলাম। দুই মামলাতেই ক্যাম্পাসের আলাদা দুটি স্থানে রাস্তা অবরোধ, সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতেই মামলাগুলো হয়েছে বলে মারুফ হোসেন সরদার দাবি করলেও সেই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বুধবার রাতে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আসার পর।
ওই হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিকালে সংসদে বলেন, “যারা ভাংচুর লুটপাটে জড়িত, তাদের বিচার হতে হবে। লুটের মাল কোথায় আছে, তা ছাত্রদেরই বের করে দিতে হবে।”

























