বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ওয়াটার পাস নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে । আর এ অনিয়মের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন এলাকাবাসী।
সরজমিনে গিয়ে ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বারুইজীবিপাড়া এলাকার বর্ডারবাজার-পুটিয়া খালের উপর ওয়াটার পাস নির্মাণ করা হয়েছে।
ওয়াটার পাসটি নির্মাণ করার কথা ছিল বারুইজীবি পাড়া এলাকার মন্নর সর্দারের পুকুরের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে। ওইখানে পাসটি নির্মাণ করলে প্রায় শতাধিক পারিবারের চলাচলের সুবিধা হতো। কিন্ত ওয়াটার পাসটি বরাদ্ধকৃত জায়গায় নির্মাণ না করে প্রভাবশালী এক নেতার যোগসাজশে নির্ধারিত স্থানের ৪শ মিটার দূরে আবুল হোসেনের বাড়ির পিছনের সরকারি খাল ভরাট করে ওই পরিবারের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে এলাকাবাসীর ভোগান্তি টিকই রয়ে গেছে।
অভিযোগকারীগন আরো বলেন,বিএডিসি’র কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে এ কাজটি করেছেন। যে জায়গায় ওয়াটার পাসটি করেছে তা শুধু একটি পরিবারের কাজে আসবে।
বিএডিসি উপসহকারী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম বলেন,ওইখানে কোন টাকা লেনদেন হয়নি। এসব মিথ্যা কথা। কাজটা মন্নর সর্দারের পুকুরের পাশে টেন্ডার হলেও ওইখানে কাজটি করা যাচ্ছে না। যে জায়গায় করেছি, ২৫-২৬ টি পরিবার চলাচল করতে পারবে।
এব্যাপারে বাড়ির মালিক আবুল হোসেন বলেন, আমি কাউকে টাকা দেইনি। উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছ থেকে দরখাস্ত দিয়ে ব্রিজ এনেছি। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে লিভারকে হাওয়াদাওয়াও করাইতেছি। আবার ব্রিজের গোঁড়ায় যে মাটি লাগবে সেই মাটি ও আমি দেব।
‘আপনার সুপারিশে ওয়াটার পাসটি মন্নর সরদারের পুকুরের পাশে না করে ৪শ মিটার দূরে আবুল হোসেনের বাড়ির পাশে নির্মাণ করেছে’ এমন প্রশ্নের উত্তরে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর বলেন, এটা মিথ্যা কথা। এ আমি দুপুরে খাবার পর ওইখানে যাবো। আপনারা আইসেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল হক মৃদুল বলেন,অভিযোগ পেয়ে তহসিল সাহেবকে পাঠিয়েছি। তারা প্রতিবেদন দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















