চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডস্থ মিরখীল নয়া পাড়া এলাকায় খতিয়ান ভুক্ত ও বন্দোবস্তি জায়গা থেকে গর্জন সহ বিভিন্ন রকমের একাধিক গাছ
কর্তন করেছে ফরিদ উদ্দিন নামে এক ব্যাক্তি। খবর পেয়ে কর্তনকৃত গাছ গুলো জব্দ করেছে বনবিভাগ।
সোমবার বিকেলে চুনতি বন্যপ্রাণী রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি টিম সেখান থেকে এসব গাছ জব্দ করে।
জানা যায়, ওই এলাকার ফরিদ উদ্দিন দীর্ঘ ৫০বছর ধরে বন্দোবস্তি জায়গা ও কিছু জায়গায় গাছ রোপন করে ভোগ করে আসছিল। এরপর থেকে ভোগ-দখলে স্থিত রয়েছে ফরিদ। ফরিদ উক্ত জায়গা হতে বাড়ি নির্মাণ কাজে ব্যবহার করতে ১০/১২টি গাছ কর্তন করে।
ফরিদ উদ্দিন জানান, জায়গাটি আমাদের খতিয়ানভুক্ত ও আর কিছু জায়গা বন্তোবস্তি।উক্ত জায়গাটি ৫০বছর ধরে আমাদের দখলে রয়েছে। উক্ত জায়গা হতে আমার বাড়ি নির্মাণে ব্যবহারের জন্য আমার সৃজিত বাগান থেকে গাছ কর্তন করি। গাছ গুলো বনবিভাগের লোকজন এসে জব্দ করে নিয়ে যায়। কিন্তু এ ঘটনাকে প্রভাবিত করার জন্য
নির্বাচনী প্রতিহিংসাকে কাজে লাগাতে ইউপি চেয়ারম্যান জনু কোম্পানীকে জড়ানোর চেষ্টা করে কিছু কচুক্রীমহল। তার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমাদের বাগানের গাছ কাটার বিষয়ে জনু চেয়ারম্যান কোন ধরণের সম্পৃক্ত নেই।আমরা কোন গাছ ক্রয় ও বিক্রয় করিনি। আমার বাগান থেকে আমি গাছ কর্তন করেছি।
চুনতি বন্যপ্রাণী রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন জানান, চুনতি মিরখিল এলাকা হতে কিছু গাছ কর্তন করছিল ফরিদ। সেখানে কিছু জায়গা ফরিদের মালিকানাধীন, কিছু জায়গা ঘাস জমি।স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা সেখান থেকে কিছু কর্তৃনকৃত গাছ জব্দ করেছি।
গাছ কাটার বিষয়ে চেয়ারম্যান জড়িত আছে কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি আরো জানান,
এ বাগানের গাছের সাথে জনু চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ত নেই। জনু চেয়ারম্যান কোন ধরণের গাছ কর্তন করেনি। গাছ কর্তন করছিল ফরিদ। আমরা সরজমিন পরিদর্শন করেছি।
চেয়ারম্যানের গাছ কাটার সাথে সম্পৃক্ত আছে ওরকম কোন তথ্য আমরা পায়নি। তবে, আমরা ফরিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ






















