কে হচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। যদিও বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক দুজনেই প্রার্থী নন বলে জানিয়েছেন। আল মামুন সরকার বলেন, ‘আমি কোনো ক্যান্ডিডেট নই। আমার রাজনৈতিক জীবনে আমি চেয়ে পদ নিইনি। দলই নির্ধারণ করেছে কখন কোন পদে থাকব। বিগত সম্মেলনে আমি কোনো প্রার্থী ছিলাম না, এবারও নই।’ বর্তমান সিনিয়র সহসভাপতি, সাবেক মেয়র হেলাল উদ্দিনও একই কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক যে পদেই রাখেন, আমি দলের জন্য কাজ করে যাব। আশা করি আমি বঞ্চিত হব না।’ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘আমি কোনো পদেই প্রার্থী নই। এটা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপার। তিনি যাকে রাখেন, সেই থাকবেন। আমাকে রাখলে রাখতে পারেন। তবে আমি ক্যান্ডিডেট হয়ে থাকব না। ক্যান্ডিডেট তো যে কেউ হতে পারেন।’
মহল্লা-ওয়ার্ডের লোকজন ডেকে সভা করেছেন সাধারণ সম্পাদক পদের দুই প্রার্থী বর্তমান সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মহিউদ্দিন খোকন। সংসদ সদস্যদের মধ্যে বাঞ্ছারামপুর থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সাবেক মুক্তিযুদ্ধা প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অব. এবি তাজুল ইসলাম এবং নাসিরনগর থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য বিএম ফরহাদ হোসেন সংগ্রামের নাম সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিভিন্ন সময় আলোচনায় ওঠে আসে। সভাপতি হিসেবে জেলার কসবা-আখাউড়া থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আনিসুল হকের নাম আগে জোরেশোরে আলোচিত হলেও এখন সেটি নেই। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বর্তমান দুই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু এবং মাঈন উদ্দিন মঈনের নাম আলোচনায় আছে। তবে মন্টুর ব্যাপক প্রচারণা দৃশ্যমান।
আল মামুন সরকার সদ্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় সাবেক মেয়র হেলাল উদ্দিন দলের সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে পারেন বলেও আলোচনা আছে। হেলাল এর আগেও সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। মেয়র মনোনয়নেও বঞ্চিত হন দুবার। দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন মুখ হিসেবে দলের দুর্দিনের কর্মী অ্যাডভোকেট তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাতের নাম শোনা যাচ্ছে। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি। সম্মেলন উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বিজনেস বাংলাদেশ / বিএইচ




















