০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের শীঘ্রই কমিটি হচ্ছে

নয় বছর পর অবশেষে সম্মেলনের নয়মাস পর নতুন মুখ নিয়ে শীঘ্রই হচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের কমিটি। তবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে হচ্ছেন এ নিয়ে কেন্দ্রে যেমন চলছে চুলছেড়া বিশ্লেষন তেমন নগর নেতাদের মাঝেও চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা। এরই মধ্যে আবার সমান তালে আছে প্রতিযোগিতা কে কিভাবে কাকে ডিঙিয়ে নিজের চেয়ার বসার রাস্তা পরিস্কার করবে তারই হিসেব নিকেশ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম নিশ্চিত করতে অপেক্ষা করতে হবে আরো কয়েকটা দিন।

তবে এ পর্যন্ত এই পদের জন্য সব লিস্টে সবার উপরে আছেন মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য নুরুল আনোয়ার, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম.আর. আজিম ও মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সালাহউদ্দিন, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর আঞ্জুমান আরা। নাম প্রকাশ করা স্বত্তে যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি বিশ্বস্ত একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

একটি বলয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সন্তান শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। গ্রুপটি মহিউদ্দিন চৌধুরী গ্রুপ হিসেবেই বেশি পরিচিত। নগর আওয়ামী লীগের পাশাপাশি দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো এ দুই বলয়ে বিভক্ত। ফলে কোনো সংগঠন পুনর্গঠনের বিষয়টি সামনে এলই অনুসারী ও পছন্দের পাত্রকে গুরুত্বপূর্ণ
পদ াইয়ে দিতে দুই পক্ষ তোড়জোড় শুরু করে।

সূত্র জানায়, ইঞ্জি: এম.এ. মহিউদ্দিন, সুমন দেবনাথ, জাবেদুল আলম সুমন, সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সাবেক ছাত্র মিলনায়তন সম্পাদক আজমল হোসেন হিরু, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল আলম লিমনসহ কয়েকজন সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে আবেদন করেছেন। কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদ দুই গ্রুপে ভাগবাটোয়ারা করে দেওয়া হলে সে ক্ষেত্রে নাছির বলয়ের নেতাকর্মীরা সভাপতি পদ চান। শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলয়ে যারা নগর যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ পেতে চান সাবেক দপ্তর সম্পাদক আরশেদুল আলম বাচ্চু, কাউন্সিলর ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসের সাজসজ্জা উপকমিটির সদস্য ফসিউল আলম রিয়াদ, মহানগর যুবলীগের সাবেক সদস্য সনত বড়–য়া, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান তারেক, শেখ মহিউদ্দিন বাবু, রাজীব হাসান রাজন, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজম রনি, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক গোলাম সামদানি জনি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন, সাবেক ছাত্রনেতা আরিফুল ইসলাম মাসুম, মো. সাজ্জাদ আলী, কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাসেল। অন্যদিকে দুই বলয়ের মাঝে স্বতন্ত্রভাবে কাজ করা কয়েকজন যুবলীগ নেতা রয়েছেন, যারা কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় করে নগর যুবলীগের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের শীঘ্রই কমিটি হচ্ছে

প্রকাশিত : ০৫:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৩

নয় বছর পর অবশেষে সম্মেলনের নয়মাস পর নতুন মুখ নিয়ে শীঘ্রই হচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের কমিটি। তবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে হচ্ছেন এ নিয়ে কেন্দ্রে যেমন চলছে চুলছেড়া বিশ্লেষন তেমন নগর নেতাদের মাঝেও চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা। এরই মধ্যে আবার সমান তালে আছে প্রতিযোগিতা কে কিভাবে কাকে ডিঙিয়ে নিজের চেয়ার বসার রাস্তা পরিস্কার করবে তারই হিসেব নিকেশ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম নিশ্চিত করতে অপেক্ষা করতে হবে আরো কয়েকটা দিন।

তবে এ পর্যন্ত এই পদের জন্য সব লিস্টে সবার উপরে আছেন মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য নুরুল আনোয়ার, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম.আর. আজিম ও মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সালাহউদ্দিন, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর আঞ্জুমান আরা। নাম প্রকাশ করা স্বত্তে যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি বিশ্বস্ত একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

একটি বলয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সন্তান শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। গ্রুপটি মহিউদ্দিন চৌধুরী গ্রুপ হিসেবেই বেশি পরিচিত। নগর আওয়ামী লীগের পাশাপাশি দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো এ দুই বলয়ে বিভক্ত। ফলে কোনো সংগঠন পুনর্গঠনের বিষয়টি সামনে এলই অনুসারী ও পছন্দের পাত্রকে গুরুত্বপূর্ণ
পদ াইয়ে দিতে দুই পক্ষ তোড়জোড় শুরু করে।

সূত্র জানায়, ইঞ্জি: এম.এ. মহিউদ্দিন, সুমন দেবনাথ, জাবেদুল আলম সুমন, সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সাবেক ছাত্র মিলনায়তন সম্পাদক আজমল হোসেন হিরু, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল আলম লিমনসহ কয়েকজন সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে আবেদন করেছেন। কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদ দুই গ্রুপে ভাগবাটোয়ারা করে দেওয়া হলে সে ক্ষেত্রে নাছির বলয়ের নেতাকর্মীরা সভাপতি পদ চান। শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলয়ে যারা নগর যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ পেতে চান সাবেক দপ্তর সম্পাদক আরশেদুল আলম বাচ্চু, কাউন্সিলর ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসের সাজসজ্জা উপকমিটির সদস্য ফসিউল আলম রিয়াদ, মহানগর যুবলীগের সাবেক সদস্য সনত বড়–য়া, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান তারেক, শেখ মহিউদ্দিন বাবু, রাজীব হাসান রাজন, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজম রনি, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক গোলাম সামদানি জনি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন, সাবেক ছাত্রনেতা আরিফুল ইসলাম মাসুম, মো. সাজ্জাদ আলী, কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাসেল। অন্যদিকে দুই বলয়ের মাঝে স্বতন্ত্রভাবে কাজ করা কয়েকজন যুবলীগ নেতা রয়েছেন, যারা কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় করে নগর যুবলীগের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh