০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের আকাশ ধরে চলবে ভারতীয় বিমান

কলকাতার সঙ্গে বিমান পরিষেবায় যুক্ত হচ্ছে ভারতের কোচবিহার জেলা। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকেই চালু হচ্ছে এই পরিষেবা। এর দায়িত্বে থাকছে বিমান সংস্থা ইন্ডিয়া ওয়ান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্কিমের আওতায় মিলবে এই বিমান পরিষেবা। তবে এ পরিষেবায় ব্যবহার হবে বাংলাদেশের আকাশ পথ। শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার বিমানবন্দর পরিদর্শনে এসে এসব তথ্য জানান ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক।

অরুণ কুমার সিং জানিয়েছেন, প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ১২টা ৩০ মিনিটে কোচবিহার থেকে ছেড়ে যাবে। এরপর বাংলাদেশের উপর দিয়ে কলকাতায় পৌঁছবে। সেখান থেকে জামশেদপুর হয়ে যাবে ভূবনেশ্বর। মোট ৯ জন যাত্রী একসঙ্গে সফর করতে পারবেন। কোচবিহার টু কলকাতার প্রাথমিকভাবে বিমান ভাড়া ৯৯৯ রুপি ধার্য করা হয়েছে। আনুমানিক প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের মতো সময় লাগবে কোচবিহার থেকে কলকাতায় পৌঁছাতে।

নিশীথ প্রামাণিক জানান, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিমান চলাচল শুরু হবে। পরিষেবার দায়িত্বে থাকবে বিমান সংস্থা ইন্ডিয়া ওয়ান। কোচবিহার থেকে কলকাতা ও জামশেদপুর হয়ে ভুবনেশ্বর পর্যন্ত যাতায়াত করবে বিমানটি।

দীর্ঘদিন যাতে এই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়া যায়, সেজন্য রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে এর পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের এই প্রতিমন্ত্রী। বর্তমানে বিমানে করে রাজ্যের উত্তরবঙ্গ পৌঁছনোর জন্য ভরসা বাগডোগরা বিমানবন্দর। সেখান থেকে কোচবিহার যেতেন অনেকে। এবার কোচবিহার পর্যন্ত পরিষেবা চালু হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে কলকাতার সংযোগ আরও নিবিড় হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

নিশীথ প্রামাণিক জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এই পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা চলছিল। অবশেষে তা বাস্তবায়িত হতে চলেছে। ফলে কোচবিহারবাসীর মুখে নিশ্চিতভাবেই হাসি ফুটবে। তবে রাজ্য সরকার এখনও পর্যন্ত এক্ষেত্রে সমস্ত রকম সহযোগিতা করেছে বলেও জানান তিনি।

২০১৯ সালের জুলাই মাসের শেষে প্রথম বেসরকারি বিমান সংস্থার বিমানে করে কোচবিহারে নামেন নিশীথ প্রামাণিক। সেদিন তিনি জানিয়েছিলেন, কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে বিমান পরিষেবা চালু হবে। এমপির এই ঘোষণার পরই কোচবিহার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও দমকল পরিষেবা নিয়ে জট তৈরি হয়েছিল। এরফলে কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে বিমান চলাচল করবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। কোচবিহার জেলার তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেছেন, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আগেই এই বিমানবন্দরের সংস্কার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আগেই ঘোষণা করেছিলেন কোচবিহার- কলকাতা বিমান চলবে। নিশীথ প্রামানিককে কেন তা পরিদর্শন করে জানাতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের আকাশ ধরে চলবে ভারতীয় বিমান

প্রকাশিত : ১১:১০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

কলকাতার সঙ্গে বিমান পরিষেবায় যুক্ত হচ্ছে ভারতের কোচবিহার জেলা। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকেই চালু হচ্ছে এই পরিষেবা। এর দায়িত্বে থাকছে বিমান সংস্থা ইন্ডিয়া ওয়ান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্কিমের আওতায় মিলবে এই বিমান পরিষেবা। তবে এ পরিষেবায় ব্যবহার হবে বাংলাদেশের আকাশ পথ। শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার বিমানবন্দর পরিদর্শনে এসে এসব তথ্য জানান ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক।

অরুণ কুমার সিং জানিয়েছেন, প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ১২টা ৩০ মিনিটে কোচবিহার থেকে ছেড়ে যাবে। এরপর বাংলাদেশের উপর দিয়ে কলকাতায় পৌঁছবে। সেখান থেকে জামশেদপুর হয়ে যাবে ভূবনেশ্বর। মোট ৯ জন যাত্রী একসঙ্গে সফর করতে পারবেন। কোচবিহার টু কলকাতার প্রাথমিকভাবে বিমান ভাড়া ৯৯৯ রুপি ধার্য করা হয়েছে। আনুমানিক প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের মতো সময় লাগবে কোচবিহার থেকে কলকাতায় পৌঁছাতে।

নিশীথ প্রামাণিক জানান, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিমান চলাচল শুরু হবে। পরিষেবার দায়িত্বে থাকবে বিমান সংস্থা ইন্ডিয়া ওয়ান। কোচবিহার থেকে কলকাতা ও জামশেদপুর হয়ে ভুবনেশ্বর পর্যন্ত যাতায়াত করবে বিমানটি।

দীর্ঘদিন যাতে এই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়া যায়, সেজন্য রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে এর পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের এই প্রতিমন্ত্রী। বর্তমানে বিমানে করে রাজ্যের উত্তরবঙ্গ পৌঁছনোর জন্য ভরসা বাগডোগরা বিমানবন্দর। সেখান থেকে কোচবিহার যেতেন অনেকে। এবার কোচবিহার পর্যন্ত পরিষেবা চালু হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে কলকাতার সংযোগ আরও নিবিড় হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

নিশীথ প্রামাণিক জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এই পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা চলছিল। অবশেষে তা বাস্তবায়িত হতে চলেছে। ফলে কোচবিহারবাসীর মুখে নিশ্চিতভাবেই হাসি ফুটবে। তবে রাজ্য সরকার এখনও পর্যন্ত এক্ষেত্রে সমস্ত রকম সহযোগিতা করেছে বলেও জানান তিনি।

২০১৯ সালের জুলাই মাসের শেষে প্রথম বেসরকারি বিমান সংস্থার বিমানে করে কোচবিহারে নামেন নিশীথ প্রামাণিক। সেদিন তিনি জানিয়েছিলেন, কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে বিমান পরিষেবা চালু হবে। এমপির এই ঘোষণার পরই কোচবিহার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও দমকল পরিষেবা নিয়ে জট তৈরি হয়েছিল। এরফলে কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে বিমান চলাচল করবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। কোচবিহার জেলার তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেছেন, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আগেই এই বিমানবন্দরের সংস্কার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আগেই ঘোষণা করেছিলেন কোচবিহার- কলকাতা বিমান চলবে। নিশীথ প্রামানিককে কেন তা পরিদর্শন করে জানাতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব