বেশ কিছুদিন ধরেই ভেড়ামারা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে হঠাৎ করেই চোরের উৎপাত বেড়েছে। এতে করে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন জনসাধারণ। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন চুরির খবর পাওয়া গেছে। এতে করে এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জনসাধারণ। তেমনি এভাবে চুরি চলতে থাকলে ভেড়ামারা উপজেলা জুড়ে আইন শৃংখলা অবনতি হওয়ার আংশকা জেগেছে। মোটরসাইকেল চুরি হতে যাওয়ার মত দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ইতিমধ্যেই বিদ্যমান। প্রতি রাতেই এলাকার কোন না কোন বাড়িতেই চুরির চেষ্টা চালাচ্ছে সংঘবদ্ধ চোরগোষ্ঠি। এমন দুর্ধর্ষ চোরের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় এলাকাবাসী ধারণা করছে এলাকার এবং বাইরের সংঘবদ্ধ চোরগোষ্ঠি জড়িত।
সম্প্রতি কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর মোঃ সাহাবুদ্দিন নাসু (৫৬), পিতা মৃত তফাজ্জেল হোসেনের বাড়িতে আজ শুক্রবার আনুমানিক রাত ২ঃ৩০ থেকে ৪ টা পর্যন্ত পরিবারের সবাইকে হাত-পা বেঁধে রেখে প্রতিটা ঘরের দরজা আলমারি ওয়ারড্রপ ট্রাঙ্ক এ তালা ভেঙে মালামাল, স্বর্ণালংকার ঘরে থাকা মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে এমনটাই বলছেন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম। এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এখন দেখার বিষয় এ ঘটনায় প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা কি?
জিন্নাহ নামে একজন বলেন, হঠাৎ বেড়েছে অপরাধ চুরি। রাজনীতি মদদ আর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শীতলতাই দায়ী।
তাদের মত অপরাধ করে পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতিই অপরাধীকে বেপরোয়া করে তুলেছে। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
ভেড়ামারাতে বেড়েছে চোর চক্র প্রতিনিয়ত ঘটছে চুরি।
জাকির হোসেন বলেন, ভেড়ামারা উপজেলা আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। আশঙ্কা জনক হারে বেড়েছে চুরি, ডাকাতি সহ নানা অপরাধ। প্রতি রাতেই অত্র এলাকার কোন না কোন বাড়িতে সংঘটিত হচ্ছে চুরি। হঠাৎ করেই চুরি ডাকাতি বৃদ্ধি পাওয়াই সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে। অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ভেড়ামারাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্টজনেরা। হঠাৎ বেড়েছে চুরি ছিনতাই এবং ডাকাতির ঘটনা। এ বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে ভেড়ামারাবাসিকে। প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে তিনটি ঘটনা ঘটছে।




















