০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

কমলগঞ্জে বিষপানে মানসিক ভারসাম্যহীন  যুবকের আত্মহত্যা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বিয়ের সপ্তাহ না পেরুতেই  কবিরাজের বাড়িতে গিয়ে এক ভারসাম্যহীন যুবক বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে। তার নাম মো. মোসব্বির হোসেন (২২)। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা টি ঘটে।
নিহত যুবক উপজেলার মাধবপুর  ইউনিয়নের নোয়াগাঁও  গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসব্বির ছোট বেলা থেকেই কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল।  বড় হওয়ার সাথে সাথে তার পাগলামি স্বভাবটি বৃদ্ধি পায়।  তবে দু’বছর থেকে সে সুস্থ্য হয়ে কাজ করে সংসার চালাতো।
গত বছর মোসব্বিরের মা মারা যায়,সংসার না চলায় গত এক সপ্তাহ আগে মোসব্বির কে বিয়ে করায় তার পরিবার।
কিন্তু বিয়ের দু’দিন পর থেকে সে আবারো পাগলামী শুরু করে। তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন কবিরাজের কাছে মোসব্বিরকে নিয়ে যায়। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) সকাল থেকে মোসব্বিরের পাগলামী বেড়ে যায়।
আবারো কবিরাজ দেখানোর উদ্দেশ্যে তার ছোট ভাই মোতাচ্ছির এদিন বিকালে তাকে মৌলভীবাজার নিয়ে যায়। কবিরাজ নামাজে গেলে কবিরাজের বাড়িতেই  এক ফাঁকে সে বিষ পান করে। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থা  অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে সিলেট রেফার করেন। সিলেট নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক  মোসব্বির কে মৃত ঘোষনা করেন।
শুক্রবার (২৪ফেব্রুয়ারী) এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মোসব্বিরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার ওসি সঞ্চয় চক্রবর্তী  মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। শুনেছি ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট রয়েছে।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

কমলগঞ্জে বিষপানে মানসিক ভারসাম্যহীন  যুবকের আত্মহত্যা

প্রকাশিত : ০৪:৫১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বিয়ের সপ্তাহ না পেরুতেই  কবিরাজের বাড়িতে গিয়ে এক ভারসাম্যহীন যুবক বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে। তার নাম মো. মোসব্বির হোসেন (২২)। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা টি ঘটে।
নিহত যুবক উপজেলার মাধবপুর  ইউনিয়নের নোয়াগাঁও  গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসব্বির ছোট বেলা থেকেই কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল।  বড় হওয়ার সাথে সাথে তার পাগলামি স্বভাবটি বৃদ্ধি পায়।  তবে দু’বছর থেকে সে সুস্থ্য হয়ে কাজ করে সংসার চালাতো।
গত বছর মোসব্বিরের মা মারা যায়,সংসার না চলায় গত এক সপ্তাহ আগে মোসব্বির কে বিয়ে করায় তার পরিবার।
কিন্তু বিয়ের দু’দিন পর থেকে সে আবারো পাগলামী শুরু করে। তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন কবিরাজের কাছে মোসব্বিরকে নিয়ে যায়। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) সকাল থেকে মোসব্বিরের পাগলামী বেড়ে যায়।
আবারো কবিরাজ দেখানোর উদ্দেশ্যে তার ছোট ভাই মোতাচ্ছির এদিন বিকালে তাকে মৌলভীবাজার নিয়ে যায়। কবিরাজ নামাজে গেলে কবিরাজের বাড়িতেই  এক ফাঁকে সে বিষ পান করে। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থা  অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে সিলেট রেফার করেন। সিলেট নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক  মোসব্বির কে মৃত ঘোষনা করেন।
শুক্রবার (২৪ফেব্রুয়ারী) এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মোসব্বিরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার ওসি সঞ্চয় চক্রবর্তী  মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। শুনেছি ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট রয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ bh