০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

নীলফামারীতে কালবৈশাখী ঝড়ে নিহত ৭

নীলফামারীর ডোমার ও জলঢাকা উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে সাতজন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে জলঢাকায় তিন ও ডোমারে চারজন নিহত হয়েছেন। এতে রাস্তাঘাটে গাছ ভেঙে পড়ায় বিদ্যুৎ ও যোগযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জলঢাকা থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান ও ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. উম্মে ফাতিমা।

নিহতরা হলেন, ডোমার উপজেলার গোমনাতি ইউনিয়নের গণি মিয়া (৪০), কেতকিবাড়ী ইউনিয়নের আফিজার রহমান (৪০), ভোগদাবড়ী ইউনিয়নের খোদেজা বেগম (৫০) ও জমিরুল ইসলাম (১২)। এছাড়া জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল খুচিমাদা গ্রামের আলমের স্ত্রী সুমাইয়া (৩০) ও ৩ মাস বয়সী মেয়ে মনি এবং পূর্ব শিমুলবাড়ী গ্রামের মমিনুর রহমানের ছেলে আশিকুর রহমান (২২)।

এদিকে জেলার ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে রোপা আমন ধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিছিন্ন থাকায় যোগযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরকারি দফতরের পাশাপাশি ইউপি চেয়ারম্যানকে তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে আজ শুক্রবার সকালে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ডিমলা উপজেলার নাওপাড়া ইউনিয়নে জোতিন্দ্রনাথ রায় (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। জোতিন্দ্রনাথ রায় ৮ বিঘা জমিতে ধানচাষ করেছিলেন। রাতের ঝড়ে তার সব ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেটা সহ্য করতে না পেরে সকালে তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম লেলিন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

নীলফামারীতে কালবৈশাখী ঝড়ে নিহত ৭

প্রকাশিত : ১০:৪৫:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ মে ২০১৮

নীলফামারীর ডোমার ও জলঢাকা উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে সাতজন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে জলঢাকায় তিন ও ডোমারে চারজন নিহত হয়েছেন। এতে রাস্তাঘাটে গাছ ভেঙে পড়ায় বিদ্যুৎ ও যোগযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জলঢাকা থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান ও ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. উম্মে ফাতিমা।

নিহতরা হলেন, ডোমার উপজেলার গোমনাতি ইউনিয়নের গণি মিয়া (৪০), কেতকিবাড়ী ইউনিয়নের আফিজার রহমান (৪০), ভোগদাবড়ী ইউনিয়নের খোদেজা বেগম (৫০) ও জমিরুল ইসলাম (১২)। এছাড়া জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল খুচিমাদা গ্রামের আলমের স্ত্রী সুমাইয়া (৩০) ও ৩ মাস বয়সী মেয়ে মনি এবং পূর্ব শিমুলবাড়ী গ্রামের মমিনুর রহমানের ছেলে আশিকুর রহমান (২২)।

এদিকে জেলার ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে রোপা আমন ধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিছিন্ন থাকায় যোগযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরকারি দফতরের পাশাপাশি ইউপি চেয়ারম্যানকে তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে আজ শুক্রবার সকালে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ডিমলা উপজেলার নাওপাড়া ইউনিয়নে জোতিন্দ্রনাথ রায় (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। জোতিন্দ্রনাথ রায় ৮ বিঘা জমিতে ধানচাষ করেছিলেন। রাতের ঝড়ে তার সব ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেটা সহ্য করতে না পেরে সকালে তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম লেলিন।