০৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে গার্ড অব অনার প্রদান

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ছোট ভাই বিগ্রেডিয়ার শহীদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ব্যক্তিগতভাবেও কৃতজ্ঞতা জানাই। তিনি পরিবারের সবার জন্য বিশেষ সংবেদনশীল মানুষ ছিলেন। আপনাদের সবার হৃদয়ে তিনি আছেন।

তিনি বলেন, আমরা এ সময়ে ওনার মৃত্যু চাইনি। অসুস্থ অবস্থায়ও তিনি আমাদের সবার খোঁজ নিয়েছেন। তার মধ্যে কোনো লোভ ছিল না। আমাদের পরিবারে তিনি মহীরুহ ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে আমরা তিন ভাই অংশগ্রহণ করেছিলাম। তিনি পরিবারের জন্যও কোথাও সুপারিশ করতেন না।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মরদেহে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হয়। বারডেম হাসপাতালের হিমঘর থেকে ফ্রিজিং ভ্যানে মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়ার পর সবার আগে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী। পরে বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের নেতারা, রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল, ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে গার্ড অব অনার প্রদান

প্রকাশিত : ০২:০৪:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ছোট ভাই বিগ্রেডিয়ার শহীদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ব্যক্তিগতভাবেও কৃতজ্ঞতা জানাই। তিনি পরিবারের সবার জন্য বিশেষ সংবেদনশীল মানুষ ছিলেন। আপনাদের সবার হৃদয়ে তিনি আছেন।

তিনি বলেন, আমরা এ সময়ে ওনার মৃত্যু চাইনি। অসুস্থ অবস্থায়ও তিনি আমাদের সবার খোঁজ নিয়েছেন। তার মধ্যে কোনো লোভ ছিল না। আমাদের পরিবারে তিনি মহীরুহ ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে আমরা তিন ভাই অংশগ্রহণ করেছিলাম। তিনি পরিবারের জন্যও কোথাও সুপারিশ করতেন না।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মরদেহে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হয়। বারডেম হাসপাতালের হিমঘর থেকে ফ্রিজিং ভ্যানে মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়ার পর সবার আগে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী। পরে বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের নেতারা, রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল, ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব