০৯:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত হলে মানুষের জীবন রক্ষা হবে

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইয়ুম সরকার বলেছেন, খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত হলে তা মানুষের জীবন রক্ষা করবে। তিনি বলেন, আমাদের খাদ্য থেকে যতটুকু নিউট্রেশন পাওয়ার কথা সেটা অনেক ক্ষেত্রে সংকট রয়েছে। তবে খাদ্য ছাড়াতো আমাদের চলবে না। খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।

বুধবার রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে গবেষণা বিষয়ক সূচনা কর্মশালা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মো. আব্দুল কাইয়ুম সরকার বলেন, ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য আইন করেছেন এবং ২০১৫ সালে সেটার আলোকে নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০১৮ সাল থেকে আমরা জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালন করে আসছি। স্ট্যান্ডার্ড ফুড সেভ লাইফ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজকে আরা আমাদের ওয়ার্কশপ আয়োজন করেছি।

খাদ্যে স্ট্যান্ডার্ড যদি সঠিক হয়, খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত হলে এটা মানুষের জীবনকে রক্ষা করবে এবং নিউট্রেশন যেটা আমাদের খাদ্য থেকে পাওয়ার কথা সেটা অনেক ক্ষেত্রে সংকট রয়েছে। তবে খাদ্য ছাড়াতো আমাদের চলবে না। খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইনের সূচনাতে বলা আছে যে বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। এই বিজ্ঞান সন্মত চর্চাটা আমরা আজকের এই ওয়ার্কশপের মাধ্যমে শুরু করতে যাচ্ছি। আমরা যে ইস্যু গুলো নিয়েছি সবগুলোই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।

ফল পাকানো নিয়ে আমাদের মধ্যে যে ধরনের ধারণা আছে অনেকেই না বুঝে অনেক বিশেষজ্ঞের বক্তব্যে আমরা দেখি যে জনগণের মধ্যে একটা নেগেটিভ ধারণা তৈরি করতে পারে। তারপর সবজি নিয়ে প্রচলিত যে কথাগুলো বলা আছে যে এগুলো খাওয়াতো বিষ। এটা নিয়েও জনগণের মধ্যে একটা নেগেটিভ ধারণা দেওয়া আছে। আসলে আমরা যতটুকু বলি সেই পর্যায়ে এগুলো নেই। কিন্তু তারপরেও আমাদের এগুলো একটা রিসার্চ লাগবে। বিজ্ঞানসন্মত ডাটা লাগবে। এই জন্য আমরা সাতটা গুরুত্বপূর্ণ রিসার্চ সামনে নিয়ে আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষরা যারা আমাদের আহ্বানে সারা দিয়ে এই রিসার্চের দায়িত্ব নিয়েছেন তাদের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।

অনুষ্ঠা‌নে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক গবেষণায় ৭ জনকে মোট ৭৪ লাখ টাকা ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিভাগের সদস্য মনজুর মোরশেদ আহমেদ।

বক্তব্য রাখেন মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার আরিফুল ইসলাম, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন প্রধান ও ড. গোলাম ফেরদৌস চৌধুরী প্রমুখ।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রংপুরে ভোটের পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে যৌথ বাহিনীর টহল জোরদার

খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত হলে মানুষের জীবন রক্ষা হবে

প্রকাশিত : ০৬:১০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুন ২০২৩

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইয়ুম সরকার বলেছেন, খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত হলে তা মানুষের জীবন রক্ষা করবে। তিনি বলেন, আমাদের খাদ্য থেকে যতটুকু নিউট্রেশন পাওয়ার কথা সেটা অনেক ক্ষেত্রে সংকট রয়েছে। তবে খাদ্য ছাড়াতো আমাদের চলবে না। খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।

বুধবার রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে গবেষণা বিষয়ক সূচনা কর্মশালা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মো. আব্দুল কাইয়ুম সরকার বলেন, ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য আইন করেছেন এবং ২০১৫ সালে সেটার আলোকে নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০১৮ সাল থেকে আমরা জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালন করে আসছি। স্ট্যান্ডার্ড ফুড সেভ লাইফ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজকে আরা আমাদের ওয়ার্কশপ আয়োজন করেছি।

খাদ্যে স্ট্যান্ডার্ড যদি সঠিক হয়, খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত হলে এটা মানুষের জীবনকে রক্ষা করবে এবং নিউট্রেশন যেটা আমাদের খাদ্য থেকে পাওয়ার কথা সেটা অনেক ক্ষেত্রে সংকট রয়েছে। তবে খাদ্য ছাড়াতো আমাদের চলবে না। খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইনের সূচনাতে বলা আছে যে বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। এই বিজ্ঞান সন্মত চর্চাটা আমরা আজকের এই ওয়ার্কশপের মাধ্যমে শুরু করতে যাচ্ছি। আমরা যে ইস্যু গুলো নিয়েছি সবগুলোই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।

ফল পাকানো নিয়ে আমাদের মধ্যে যে ধরনের ধারণা আছে অনেকেই না বুঝে অনেক বিশেষজ্ঞের বক্তব্যে আমরা দেখি যে জনগণের মধ্যে একটা নেগেটিভ ধারণা তৈরি করতে পারে। তারপর সবজি নিয়ে প্রচলিত যে কথাগুলো বলা আছে যে এগুলো খাওয়াতো বিষ। এটা নিয়েও জনগণের মধ্যে একটা নেগেটিভ ধারণা দেওয়া আছে। আসলে আমরা যতটুকু বলি সেই পর্যায়ে এগুলো নেই। কিন্তু তারপরেও আমাদের এগুলো একটা রিসার্চ লাগবে। বিজ্ঞানসন্মত ডাটা লাগবে। এই জন্য আমরা সাতটা গুরুত্বপূর্ণ রিসার্চ সামনে নিয়ে আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষরা যারা আমাদের আহ্বানে সারা দিয়ে এই রিসার্চের দায়িত্ব নিয়েছেন তাদের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।

অনুষ্ঠা‌নে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক গবেষণায় ৭ জনকে মোট ৭৪ লাখ টাকা ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিভাগের সদস্য মনজুর মোরশেদ আহমেদ।

বক্তব্য রাখেন মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার আরিফুল ইসলাম, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন প্রধান ও ড. গোলাম ফেরদৌস চৌধুরী প্রমুখ।