১২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশের চাই ২১২ রান

১৩৭ রানে নেই ভারতের ৭ উইকেট। মনে হচ্ছিল, ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার জন্য একদম সহজ লক্ষ্যই পাবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। কিন্তু ভারত ‘এ’ দলের অধিনায়ক ইয়াশ ধুল একাই লড়াই করে দলকে এনে দিলেন চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ।

রিপন মণ্ডলের বলে ধুল আউট হয়েছেন ইনিংসের ৫ বল বাকি থাকতে। তবে তার আগে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা যা বাড়ানোর বাড়িয়ে দিয়ে গেছেন তিনি। ভারত অলআউট হয়েছে ২১১ রানে। অর্থাৎ ফাইনাল খেলতে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ২১২।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশের অধিনায়ক সাইফ হাসান। ২৯ রানে ভারতের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তানজিম হাসান সাকিব। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান সাই সুদর্শনকে (২১) উইকেটরক্ষক আকবর আলির ক্যাচ বানান এই পেসার।

দ্বিতীয় উইকেটে ৪৬ রানের জুটি গড়েন অভিষেক শর্মা আর নিকিন জোসে। দলীয় ৭৫ রানের মাথায় নিকিন জোসেকে (১৭) সাজঘরে ফিরিয়ে এই জুটিটি ভাঙেন অধিনায়ক সাইফ। টাইগার অফস্পিনারের বলে জাকির হাসানকে ক্যাচ দেন জোসে।

এরপরই ভারতকে ভালোভাবে চেপে ধরেন বাংলাদেশি বোলারররা। পরের ওভারে অভিষেক শর্মাকে (৩৪) সাকিবের তালুবন্দী করেন রাকিবুল হাসান। এরপর নিশাত সান্ধুকেও (৫) থিতু হতে দেননি বাঁহাতি এই স্পিনার।

১২ রান করা রিয়ান পরাগকে দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন সাকিব, ৩২তম ওভারে। তার পরের ওভারে উইকেটরক্ষক ধ্রুব জুরেলকে (১) এলবিডব্লিউ করে ভারতকে আরও বড় বিপদে ফেলেন শেখ মাহাদি হাসান। এরপর হার্শিত রানাকেও (৯) ফেরান মাহেদি। ১৩৭ রানে ৭ উইকেট হারায় ভারত।

কিন্তু এমন কোণঠাসা অবস্থা থেকে ভারতীয়রা ঘুরে দাঁড়ায় অধিনায়ক ইয়াশ ধুলের ব্যাটে। লোয়ার অর্ডারদের নিয়ে দুর্দান্ত লড়াই করেন ধুল। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন ৮৫ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৬৬ রানের ইনিংস খেলে।

বাংলাদেশের শেখ মাহেদি, তানজিম সাকিব আর রাকিবুল হাসান নেন দুটি করে উইকেট।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশের চাই ২১২ রান

প্রকাশিত : ০৬:১৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩

১৩৭ রানে নেই ভারতের ৭ উইকেট। মনে হচ্ছিল, ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার জন্য একদম সহজ লক্ষ্যই পাবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। কিন্তু ভারত ‘এ’ দলের অধিনায়ক ইয়াশ ধুল একাই লড়াই করে দলকে এনে দিলেন চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ।

রিপন মণ্ডলের বলে ধুল আউট হয়েছেন ইনিংসের ৫ বল বাকি থাকতে। তবে তার আগে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা যা বাড়ানোর বাড়িয়ে দিয়ে গেছেন তিনি। ভারত অলআউট হয়েছে ২১১ রানে। অর্থাৎ ফাইনাল খেলতে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ২১২।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশের অধিনায়ক সাইফ হাসান। ২৯ রানে ভারতের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তানজিম হাসান সাকিব। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান সাই সুদর্শনকে (২১) উইকেটরক্ষক আকবর আলির ক্যাচ বানান এই পেসার।

দ্বিতীয় উইকেটে ৪৬ রানের জুটি গড়েন অভিষেক শর্মা আর নিকিন জোসে। দলীয় ৭৫ রানের মাথায় নিকিন জোসেকে (১৭) সাজঘরে ফিরিয়ে এই জুটিটি ভাঙেন অধিনায়ক সাইফ। টাইগার অফস্পিনারের বলে জাকির হাসানকে ক্যাচ দেন জোসে।

এরপরই ভারতকে ভালোভাবে চেপে ধরেন বাংলাদেশি বোলারররা। পরের ওভারে অভিষেক শর্মাকে (৩৪) সাকিবের তালুবন্দী করেন রাকিবুল হাসান। এরপর নিশাত সান্ধুকেও (৫) থিতু হতে দেননি বাঁহাতি এই স্পিনার।

১২ রান করা রিয়ান পরাগকে দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন সাকিব, ৩২তম ওভারে। তার পরের ওভারে উইকেটরক্ষক ধ্রুব জুরেলকে (১) এলবিডব্লিউ করে ভারতকে আরও বড় বিপদে ফেলেন শেখ মাহাদি হাসান। এরপর হার্শিত রানাকেও (৯) ফেরান মাহেদি। ১৩৭ রানে ৭ উইকেট হারায় ভারত।

কিন্তু এমন কোণঠাসা অবস্থা থেকে ভারতীয়রা ঘুরে দাঁড়ায় অধিনায়ক ইয়াশ ধুলের ব্যাটে। লোয়ার অর্ডারদের নিয়ে দুর্দান্ত লড়াই করেন ধুল। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন ৮৫ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৬৬ রানের ইনিংস খেলে।

বাংলাদেশের শেখ মাহেদি, তানজিম সাকিব আর রাকিবুল হাসান নেন দুটি করে উইকেট।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ