শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে দীর্ঘ একযুগ ধরে শিকলে বাঁধা অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে এতিম মেহনাজ। মেহনাজ ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ( ভূমি অফিস ) সংলগ্ন ব্রীজপাড় মৃত্যু মো: মোস্তফার ছোট মেয়ে। মোস্তফা তার, চার ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে মারা যায়।
মেহনাজ এ-র বড়ভাই হাছান বলেন, বিগত ১৩ বছর যাবত মেহনাজকে এভাবেই শিকলে বেধে রাখা হয়েছে। এতে করে তার শারীরিক অবস্থা দিন দিন আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে। অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা নিতে পারছেন না।
মেহনাজ এক সময় অন্য ছেলে- মেয়েদের মতোই সুস্থ সাভাবিক ছিল। সে ঝিনাইগাতী সদর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ছিল বলে জানা যায়, একদিন স্কুল থেকে বাড়ী ফেরার পর হঠাৎ করে মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এ-সময় তার বাবা মোস্তফা মেয়ে মেহনাজকে সুস্থ করবার জন্য তার সাধ্যমতো চেষ্টা করেন,কিন্তু তার বাবা মারা যাওয়ায় এতিম মেহনাজ এ-র সেখানেই চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে বিনা চিকিৎসায় দিনে-দিনে তার শারীরিক অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে।
এলাকাবাসীরা বলেন, মেয়েটি সু-চিকিৎসা পেলে হয়তো সুস্থ হতো কিন্তু তার বড় ভাইয়েরা অত্যন্ত গরীব। দিন আনে- দিন খায়, অর্থের অভাবে আর চিকিৎসা না করতে পারায় মেয়েটা সুস্থ হচ্ছে না।
এসময় তসরা আরও বলেন,মেয়েটির বড়ভাই পেশায় একজন নৈশ-প্রহরী। পুরো মাস ডিউটি করে মাত্র (৫) পাঁচ হাজার টাকা পান, এই টাকা দিয়েই তার স্ত্রী সন্তান ও মানসিক ভারসাম্যহীন বোন-সহ তার সংসার চালাতে হয়। তাই ইচ্ছে থাকলেও- অর্থের অভাবে সে বোনের চিকিৎসা করাতে পারছেন না।
এমতাবস্থায় হাছান তার বোনের চিকিৎসার জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণের সু-দৃষ্টি ও আকর্ষণ করেন। এবং সেই সাথে স্থানীয় জন- প্রতিনিধি-সহ সমাজের বিত্তবান,ও সু-হৃদয়বান ব্যক্তিবর্গের সু- দৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করেন। যাতে করে- বাবা-মা হারানো এতিম বোনের চিকিৎসা করতে পারে।
আর্থিক সাহায্যের জন্য এখানে মেহনাজ এ-র বড় ভাইয়ের (বিকাশ) মোবাইল নম্বর দেওয়া হলো প্রয়োজনে কথা বলে সাধ্য-মতো কিছু খরচ পাঠাতে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো ( ০১৯০৮২৩৪৮৮১ )
০৫:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম :
১২ বছর ধরে শিকলে বাঁধা ঝিনাইগাতীর এতিম মেহনাজ্
-
মো: আমিনুল ইসলাম, শেরপুর প্রতিনিধি - প্রকাশিত : ০৪:০০:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩
- 52
ট্যাগ :
জনপ্রিয়




















