সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জ উপজেলায় শেষ মূহুর্তে¡ শিল্পীদের হাতে রং তুলির ছোঁয়ায় পূর্ণরূপে দেবী দুর্গা। নদীর বাঁকে বাঁকে কাঁশফুলের মেলা এই শরতেই দেবী দুর্গার আগমন। এ বছর ৮৭টি মন্ডপে দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হবে। সনাতন সম্প্রদায়ের শারদোৎসবকে সামনে রেখে রায়গঞ্জ প্রতিমা শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছে।
ধানগড়া পালপাড়া দশরৎ পাল জানান, খড়, কাঠ, বাঁশ, সুতলি, রঙ ও মাটির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিমা তৈরীতে খরচ বেশি হয়েছে। আবহাওয়া অনূকুলে না থাকায় কাজ করতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। রায়গঞ্জ উপজেলা পুজা উদ্্যাপন পরিষদের সভাপতি চন্দন কুমার সরকার বলেন, রায়গঞ্জ-সলঙ্গায় উৎসবমুখোর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি চলছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতি বছরের যে নিরাপত্তা প্রদান করেন, এবারও সেটি অব্যাহত থাকবে ও প্রতিটি মন্দিরে স্বেচ্ছাসেবক দল নিয়োজিত থাকবে।
রায়গঞ্জ-সলঙ্গা থানা পুলিশ ও এডিশনাল (এসপি) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রতিটি মন্দির কমিটির সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছেন। কোন প্রকার অপ্রতিকর ঘটনা ছাড়াই এবারও শারদীয় দুর্গোৎসব বিজয়াদশমীর মধ্যে দিয়ে শেষ হবে। ২০ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্যে দিয়ে শারদীয় দুর্গা উৎসব শুরু। ২৪ অক্টোবর বিজয়াদশমীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদোৎসব। ভূইয়াগাঁতী দক্ষিণপাড়া সার্বজনীন শ্রী শ্রী কালীমাতা ও রাধা গোবিন্দ মন্দির কমিটির সভাপতি ভবেশ চন্দ্র দাস জানান, ফুলজোড় নদীর তীরবর্তী হওয়ায় আশে পাশের প্রতিমা নৌকায় তুলে এখানে বির্সজনের জন্য আনা হয়। এ উপলক্ষ্যে মন্দির প্রাঙ্গনে জাঁকজমক পূর্ণ একটি মেলা বসে।





















