০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস-২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন কর্তৃক বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করেন। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল-সকাল ১০টায় পরীর পাহাড়স্থ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ।

সেখানে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম, পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি’র পক্ষে অতিরিক্ত ডিআইজি প্রবীর কুমার রায়, সিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার এম.এ মাসুদ, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুল মালেক, পুলিশ সুপারের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম সরোয়ার কামাল দুলু, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা শিশু একাডেমি, কেন্দ্রীয় কারাগার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর, আনসার-ভিডিপি বন বিভাগ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ব্র্যাকসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ। এর পর পর বেলুন উড়িয়ে শেখ রাসেল দিবসের উদ্বোধন শেষে পরীর পাহাড়স্থ চত্ত¡রে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। এদিকে ‘স্মার্ট ডিস্ট্রিক্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’-২০২৩ এর আওতায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ‘স্মার্ট স্কুল বাস’ নামক উদ্ভাবনী উদ্যোগটি প্রথম হওয়ায় আজ ১৮ অক্টোবর বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত শেখ রাসেল দিবসের উদ্বোধনী ও শেখ রাসেল পদক-২০২৩ প্রদান অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কৃত করেন। সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কেক কেটে শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন পরবর্তী আলোচনা সভায় আয়োজন করা হয়। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুল মালেকের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার রাজীব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি প্রবীর কুমার রায়, সিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার এম.এ মাসুদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম সরোয়ার কামাল দুলু। আলোচনা সভা শেষে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। দিবসটি উপলক্ষে বিকেল ৪টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গনে সবশেষে অনুষ্ঠিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পদস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। শেখ রাসেল দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল।

১৯৬৪ সালের এই দিনে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত ৩২ নম্বর বাড়ি বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অর্জিত এ দেশের স্বাধীনতা যারা সহ্য করতে পারেনি তারাই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যা করে। ইতিহাসের এ বর্বরতম ও ন্যাক্কারজনক হত্যাকান্ড থেকে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরী স্কুলের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র ১০ বছর ১০ মাস বয়সী ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলও রেহায় পায়নি। বঙ্গবন্ধুর সাথে নরপিশাচরা তাকেও নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। সে দিন মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রাসেলের ছোট্ট বুক বুলেটের আঘাতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল। বিশেষ অতিথিবৃন্দরা বলেন, শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকারী হতো, আমরা মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন একজন নেতা পেতাম। এটা জেনে ঘাতকেরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্য। রাজনৈতিক কারণে বঙ্গবন্ধু মাসের পর মাস, বছরের পর বছর জেলে কাটিয়েছেন। ফলে ছোট্ট শিশু রাসেল পিতৃ¯েœহ থেকে ও বঞ্চিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে একটি সংবিধান উপহার দিয়ে গেছেন যে সংবিধান মানবতার কথা বলে। তিনি অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ে মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দেশবিরোধী চক্র বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছে। ১৯৯৬ সালে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কাজ শুরু করেন। খুনীদের অনেকের বিচার হয়েছে, কারও কারও বিচার প্রক্রিয়াধীন। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের মধ্যে যারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে তাদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা এখন শুধু সময়ের দাবী। বক্তারা বলেন, আবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের সংসারে পাঁচ সন্তান ছিল। তাদের মধ্যে শেখ রাসেল ছিল সবার ছোট। ভাই-বোনের মধ্যে অন্যরা হলেন-বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর অন্যতম সংগঠক শেখ কামাল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা শেখ জামাল ও শেখ রেহানা। আজ থেকে ৪৮ বছর আগে ঘাতকদের হাতে শিশু শেখ রাসেলের নির্মম মৃত্যু হলেও সে আছে এ দেশের প্রতিটি মানুষের অন্তরে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চিকিৎসা শুধু ব্যবসা নয়, মানবসেবাও — প্রমাণ করলেন এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলী

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন

প্রকাশিত : ০৬:১৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৩

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস-২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন কর্তৃক বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করেন। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল-সকাল ১০টায় পরীর পাহাড়স্থ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ।

সেখানে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম, পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি’র পক্ষে অতিরিক্ত ডিআইজি প্রবীর কুমার রায়, সিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার এম.এ মাসুদ, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুল মালেক, পুলিশ সুপারের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম সরোয়ার কামাল দুলু, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা শিশু একাডেমি, কেন্দ্রীয় কারাগার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর, আনসার-ভিডিপি বন বিভাগ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ব্র্যাকসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ। এর পর পর বেলুন উড়িয়ে শেখ রাসেল দিবসের উদ্বোধন শেষে পরীর পাহাড়স্থ চত্ত¡রে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। এদিকে ‘স্মার্ট ডিস্ট্রিক্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’-২০২৩ এর আওতায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ‘স্মার্ট স্কুল বাস’ নামক উদ্ভাবনী উদ্যোগটি প্রথম হওয়ায় আজ ১৮ অক্টোবর বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত শেখ রাসেল দিবসের উদ্বোধনী ও শেখ রাসেল পদক-২০২৩ প্রদান অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কৃত করেন। সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কেক কেটে শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন পরবর্তী আলোচনা সভায় আয়োজন করা হয়। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুল মালেকের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার রাজীব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি প্রবীর কুমার রায়, সিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার এম.এ মাসুদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম সরোয়ার কামাল দুলু। আলোচনা সভা শেষে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। দিবসটি উপলক্ষে বিকেল ৪টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গনে সবশেষে অনুষ্ঠিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পদস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। শেখ রাসেল দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল।

১৯৬৪ সালের এই দিনে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত ৩২ নম্বর বাড়ি বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অর্জিত এ দেশের স্বাধীনতা যারা সহ্য করতে পারেনি তারাই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যা করে। ইতিহাসের এ বর্বরতম ও ন্যাক্কারজনক হত্যাকান্ড থেকে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরী স্কুলের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র ১০ বছর ১০ মাস বয়সী ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলও রেহায় পায়নি। বঙ্গবন্ধুর সাথে নরপিশাচরা তাকেও নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। সে দিন মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রাসেলের ছোট্ট বুক বুলেটের আঘাতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল। বিশেষ অতিথিবৃন্দরা বলেন, শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকারী হতো, আমরা মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন একজন নেতা পেতাম। এটা জেনে ঘাতকেরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্য। রাজনৈতিক কারণে বঙ্গবন্ধু মাসের পর মাস, বছরের পর বছর জেলে কাটিয়েছেন। ফলে ছোট্ট শিশু রাসেল পিতৃ¯েœহ থেকে ও বঞ্চিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে একটি সংবিধান উপহার দিয়ে গেছেন যে সংবিধান মানবতার কথা বলে। তিনি অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ে মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দেশবিরোধী চক্র বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছে। ১৯৯৬ সালে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কাজ শুরু করেন। খুনীদের অনেকের বিচার হয়েছে, কারও কারও বিচার প্রক্রিয়াধীন। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের মধ্যে যারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে তাদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা এখন শুধু সময়ের দাবী। বক্তারা বলেন, আবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের সংসারে পাঁচ সন্তান ছিল। তাদের মধ্যে শেখ রাসেল ছিল সবার ছোট। ভাই-বোনের মধ্যে অন্যরা হলেন-বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর অন্যতম সংগঠক শেখ কামাল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা শেখ জামাল ও শেখ রেহানা। আজ থেকে ৪৮ বছর আগে ঘাতকদের হাতে শিশু শেখ রাসেলের নির্মম মৃত্যু হলেও সে আছে এ দেশের প্রতিটি মানুষের অন্তরে।